[১]দ্বিতীয় বিয়ে করার পর বেপরোয়া হয়ে উঠেন ডা. সাবরিনা

আমাদের নতুন সময় : 14/07/2020

ইসমাঈল ইমু : [২] স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও ঠিকাদারি কাজ পেতে নানামুখী তদবির করেন ডা. সাবরিনা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)-এর কয়েকজন নেতাকে কাজে লাগান তিনি। গ্রেপ্তারের পর ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমন তথ্যই পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।[৩] জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার দায়িত্ব পালনকারী ডা. সাবরিনা জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীর চতুর্থ স্ত্রী ছিলেন। কোভিড-১৯ পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে করা ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে সাবরিনার স্বামী আরিফুলও কারাগারে আছেন।[৪] তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, মূলত ডা. সাবরিনার হাত ধরেই করোনার স্যাম্পল কালেকশনের কাজটি ভাগিয়ে নেয় জেকেজি। প্রথমে তিতুমীর কলেজে মাঠে স্যাম্পল কালেকশন বুথ স্থাপনের অনুমতি মিললেও প্রভাব খাটিয়ে ঢাকার অন্য এলাকা এবং অনেক জেলা থেকেও নমুনা সংগ্রহ করছিলেন তারা।
[৫] ডা. সাবরিনার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরে। তার বাবা সাবেক সচিব সৈয়দ মোশাররফ হোসেন। তিনি ঢাকার শ্যামলীর পিসি কালচার রোডের নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। তার দুই মেয়ের মধ্যে ডা. সাবরিনা বড়। সাবরিনা ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৯৯৩ সালে এসএসসি ও পরে এইচএসসি পাস করেন। এমবিবিএস পাস করেন সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com