• প্রচ্ছদ » » ঈদের দিন এ-বাড়ি, ওই-বাড়ি ঘুরে বেড়াতাম


ঈদের দিন এ-বাড়ি, ওই-বাড়ি ঘুরে বেড়াতাম

আমাদের নতুন সময় : 29/07/2020

অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন

আমার শৈশব কেটেছে গ্রামেই। প্রথমে স্কুল জীবন শুরু, পরে ঢাকাতে এসে ঢাকা কলেজে ভর্তি হই। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য জাপানে চলে যাই। বাবা সরকারি চাকরি করতেন। পরিবারের সবাই একসঙ্গে থাকতাম। ফলে গ্রামের সেই অনুভ‚তিটা আমায় খুবই টানতো। ঈদের আগে গ্রামে চলে যেতাম। ঈদের দিন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতাম। ঘুরে বেড়াতাম, প্রচুর আনন্দ করতাম। সবার খোঁজখবর নিতাম। এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে যেতাম। যা একটা আন্তরিক এবং প্রাণবন্ত বিষয় ছিলো। ঢাকায় ফেরত আসারপর সেই ঈদের দিনগুলোকে খুব মিস করতাম। স্কুল এবং ম্যাচ ছুটি হলে আমি একটুও দেরি করতাম না। যতো দ্রæত সম্ভব গ্রামের বাড়িতে চলে যেতাম বাবা-মায়ের কাছে। তাদের সবার সঙ্গে ঈদযাপন করার জন্য। অনেক সময় বাবা আসতেন, কখনো আসতে পারতেন না। বড় সন্তান হওয়ায় আমার উপর দায়িত্বের ভারটা বেশি ছিলো। ফলে সবাইকে নিয়ে ঈদটাকে আনন্দের সঙ্গে কাটানোর চেষ্টা করতাম। সকলের জন্য কাপড় কিনতাম। এখন পরিবারের সঙ্গে সময় দেওয়া, ঈদ করা, আনন্দ করা, খাবার খাওয়া এগুলো দেখা যায় না। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর, ঈদের দিন আসলে সেই দিনগুলো অনুভব করি। গ্রামীণ জীবনের শৈশবের স্মৃতিগুলো বারবার হাতছানি দিয়ে ডাকে। ঈদে বাবা-মা না থাকায় আনন্দ ভাগ করতে পারি না। মানুষ এখন অনেক ব্যস্ত থাকে, ফলে আগের মতো আর ঈদ আনন্দ নেই। এখন নিজের সন্তানদের সঙ্গে ঈদ করি। তাদের চাহিদাগুলো সাধ্য অনুযায়ী পূরণ করার চেষ্টা করি। ঈদের দিন নিজের কাজ করি, পরীক্ষার খাতা দেখি ও বই পড়ি। এভাবেই ঈদের দিন কাটাই। পরিচিতি : শিক্ষক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিনহাজুল আবেদীন।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]