• প্রচ্ছদ » » কোরবানিতে বাবা দুটি ভেড়া কিনতেন


কোরবানিতে বাবা দুটি ভেড়া কিনতেন

আমাদের নতুন সময় : 29/07/2020

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান

ছোটবেলা দিন কেটেছে আর্দশ গ্রামে। বাবা পোস্টমাস্টার ছিলেন। সেজন্য তিনি প্রায়ই বদলি হতেন। কোরবানির ঈদে সবাই গরু-ছাগল কিনতো। কিন্তু বাবা পছন্দ করতেন ভেড়া। ৮ ভাই-বোনেরও প্রিয় ছিলো এই প্রাণীটি। বাবা কোরবানির ঈদে দুটি ভেড়া কিনতেন। ঈদের নামাজ শেষে বাবার সঙ্গে সকালের নাস্তা করতাম। এটি খুবই উপভোগ করতাম। এরপর বাড়িতে হুজুর ভেড়া জবাই করতেন। মানুষের সঙ্গে গোস্ত কাটতাম। তারপর সেগুলো গরিব-দুঃখী মানুষের মধ্যে বিতরণ করতাম। এটা অনেক আনন্দদায়ক ছিলো। আমি মাকে সহযোগিতা করতাম। এরপর বাড়িতে মাংস রান্না করা হতো। সবাই মিলে দুপুরে একসঙ্গে আনন্দ করে খেতাম। বিকালে নতুন জামা-কাপড় পরে, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যেতাম। সবার বাড়িতে বেড়াতে যেতাম। খেলাধুলা করতাম। যখন পঞ্চম শ্রেণিতে উঠি, তখন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসি। এখানকার কোরবানির আমেজটা একটু ভিন্ন ধরনের ছিল। কয়েক বাড়ি মিলে ভাগে কোরবানি দেওয়া হতো। নিজেরাই গরু কাটার কাজগুলো করতো। যা এখন অনেক মিস করি। বাবা-মা, পরিবার, আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার মাধ্যমে ঈদের প্রকৃত আনন্দ খুঁজে পাই।
সৌদি আরবে যেভাবে কোরবানি দেওয়া হয়, সেই নিয়মে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে অনলাইনে বা ব্যাংকের মাধ্যমে পশু কেনাকাটা এবং কোরবানি দিতে হবে। তাহলে করোনো সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। মানুষের জীবন বাঁচবে। পরিচিতি : সাবেক উপাচার্য, বিএসএমএমইউ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আব্দুল্লাহ মামুন




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com