• প্রচ্ছদ » » বাংলাদেশে কি সত্যিকারের কোনো বিচার আছে?


বাংলাদেশে কি সত্যিকারের কোনো বিচার আছে?

আমাদের নতুন সময় : 12/09/2020

মারুফ কামাল খান : দেশে রাজনীতি ও দলীয় কার্যক্রমের নানান অসঙ্গতি,ব্যর্থতা ও সুবিধাবাদ নিয়ে অনেকে অনেক অভিযোগ ও প্রশ্নœ তোলেন। সব অভিযোগ ও প্রশ্নের জবাবও দেয়া যায় না। তবে আজ এমন কিছু কথা বলবো যাতে আকেলমান্দরা বুঝে নিতে পারেন বাস্তব অবস্থাটা কী। তার আগে নিজে নিজে একটু ভাবুনতোÑ বাংলাদেশে কি সত্যিকারের কোনো বিচার আছে? পুলিশ কি আর পুলিশ আছে? কোথাও কোনো নির্বাচন আছে? মিডিয়া কি আর মিডিয়া আছে? জাতীয় সংসদ কি আর সংসদ আছে? প্রশাসন কি আর প্রশাসন আছে? বিশ্ববিদ্যালয় কি আর বিশ্ববিদ্যালয় আছে? এরকম আরো অনেক কিছুই বলা যায়। কিন্তু অহেতুক তালিকা লম্বা করে লাভ নেই। প্রথা, প্রতিষ্ঠান, সিস্টেম, নিয়ম-কানুন, রীতিনীতির কোনো কিছুই কি কোথাও ঠিক আছে? নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করে জবাব খুঁজে বের করে নেবেন। এখন শুনুন,দেশে আসলে রাজনীতি বলে সত্যিকারের কিছুই এখন আর নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য স্বাভাবিক তৎপরতা চালাবার ও সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চার কোনো সুযোগ ও অবকাশই রাখা হয়নি। রাজনীতি ও দলীয় কার্যক্রমের নামে যা চলছে তার সবকিছু পুরোই প্রহসন, সাজানো সার্কাস মাত্র। এ গুলিকে রাজনীতির ছক, সংজ্ঞা ও ব্যাকরণে ফেলে বিচার করতে গেলেই ভুল হয়ে যাবে। ক্ষমতার বাইরের যে-সব রাজনীতিক নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী তাদের দৃশ্য-অদৃশ্য ভীতিকর বাধ্যবাধকতার কাছে আত্মসর্ম্পন করাবার পর এখন তারা প্রায় সকলেই শেকলে বাঁধা জীব। কেউ কেউ একটু আধটু ফোঁসফাঁস করলেও এগুলো তেমন কিছুই না, নাটকেরই সংলাপ মাত্র। কাজেই তারা তথাকথিত সংসদে, ব্রিফিংয়ে, বিবৃতিতে, মানববন্ধনে, ডিজিটাল সভায়, সেমিনারে বা ফেসবুকে যা কিছুই বলুক,ওদের কথায় রাগ করবেন না, বিভ্রান্তÍও হবেন না। পদ-পদবির বাঁটোয়ারা ও নমিনেশনের ফরম বেচাকেনার কাজটা ওদের অন্তত শান্তিতে করতে দিন। ওদের সাধ্য এটুকুই। এর চেয়ে বেশি পারফর্ম করবার সামর্থ বা স্বাধীনতা যে তাদের এখন নেই, এটুকু অন্তত বুঝার চেষ্টা করুন। যাদের আত্মসর্ম্পনে বাধ্য করা যায়নি, মিথ্যে মামলা ও বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে রাজনীতি নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে তাদের জন্য। যারা সুযোগ পেয়েছে, তারা পালিয়ে বেচেছে। এই নির্মম বাস্তবতা সৃষ্টি করেছে অনেকে মিলেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভারসাম্য সম্পূর্ণ নষ্ট করে ফেলা হয়েছে অনেক আগেই। এর পেছনে দায় অনেকের, দায়ী অনেকেই। তাই শুধু একটি রাজনৈতিক দলের অসহায়ত্ব ও ব্যর্থতার নিন্দা করেও লাভ নেই কোনো। তাহলে এ খাঁচা ভাংবে কবে,কেমন করে? এ প্রশ্নের কোনো রেডিমেড জবাব আমার কাছেও নেই এ মুহুর্তে। আমি অবশ্য নিশ্চিত যে, খাঁচা ভাঙবেই, তবে আমার হাতে কিন্তু দিনক্ষণ বলে দেবার মতন ক্রিস্টাল ম্যাজিক বলটি নেই। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com