• প্রচ্ছদ » » অপেশাদার লোকেরা সংবাদপত্রের ডিক্লারেশন পায় কীভাবে?


অপেশাদার লোকেরা সংবাদপত্রের ডিক্লারেশন পায় কীভাবে?

আমাদের নতুন সময় : 13/09/2020

পীর হাবিবুর রহমান : সংবাদপত্রের ডিক্লারেশন দিতে অনেক নিয়ম কানুন, পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্ট লাগে। তবু অপেশাদার, অশিক্ষিতরা ডিক্লারেশন কীভাবে পায়? অনেকে একটার পর একটা ডিক্লারেশন নেয়, আর বিক্রি করে বাণিজ্য করে তবুও তাদের দেওয়া হয়, কেন? এতো দৈনিক কেন, পাঠক জানে না, নাম দেখেনি। কেউ চেহারা পর্যন্ত দেখেনি। কীভাবে যায় সরকারি বিজ্ঞাপন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক আটক হয়। কিন্তু গণমাধ্যমের মান মর্যাদা নষ্ট করা, এসব সংবাদপত্রের ডিক্লারেশন বাতিল হয় না কেন? আন্ডার গ্রাউন্ড কাগজ কতো সাংবাদিক বানায়, অপেশাদার, দুই দলের ইউনিয়ন সদস্য করে। জাতীয় প্রেসক্লাবও ভোটার বানাতে গিয়ে সদস্য করে। কবি শামসুর রাহমান সদস্য হতে পারেননি। যে প্রেসক্লাবে সেখানে এখন রেস্তোরা ম্যানেজার থেকে পথের বিচিত্র ধরনের লোকদের বানানো হয়। এই প্রেসক্লাব একদা সেকেন্ড হোম ছিলো। গণতন্ত্রের আইল্যান্ড ছিলো। এখন ভুলেও যাই না। গোটা সমাজইতো নষ্ট বিকৃত সস্তা লোভি মান মর্যাদাহীনদের দখলে। আত্মমর্যাদাবোধ থাকলে ঘরে ঢুকতে ঢুকতে একা হয়ে যাও। এ সমাজে ধর্ষকের পক্ষেও সাফাই গায় একদল নর-নারী। অপরাধীর বিরুদ্বে প্রতিবাদ দূরে থাক ঘৃনা করতেও ভুলে গেছে। কারণ ভেতরে নিজেরও কতো লোভে জমা অপরাধ। সমাজে হাজারে হাজারে হেঁটে যায় পাপিয়া, সাহেদ, লুপা, সাবরিনা। কতো জনের কতো মুখোশ। আওয়ামী লীগের কাউয়া তাড়াতে বলে মিডিয়া, নিজের আকাশজুড়ে কতো কুৎসিত কাউয়া উড়ে, তবুও দেখে না। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com