• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোনালাপ [২]আলোচনায় অগ্রাধিকার পায় বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী আধুনিকীকরণের উদ্যোগ


[১]প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোনালাপ [২]আলোচনায় অগ্রাধিকার পায় বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী আধুনিকীকরণের উদ্যোগ

আমাদের নতুন সময় : 13/09/2020

তরিকুল ইসলাম : [৩] শুক্রবার সন্ধ্যার ফোনালাপে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক টি. এসপার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান ও মহামারি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন।
[৪] সামুদ্রিক ও আঞ্চলিক সুরক্ষা, বৈশ্বিক শান্তিরক্ষার বিষয়টিও আলোচনায় স্থান পায়।
[৫] তিনি রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও বন্যাসহ যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার কথা জানান।
[৬] ২০১৯ সালে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশ কাজ করতে সম্মত হয়।
[৭] পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সে সময় সম্মত হন যে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি এবং অবকাঠামো প্রকল্পে উভয় দেশ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করবে।
[৮] ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভিশন যার লক্ষ্য হচ্ছে এই অঞ্চলে স্বচ্ছ ও সুশাসন-ভিত্তিক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।[৯] ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কমপোনেন্ট আছে।
[১০] চীনে সাবেক রাষ্ট্রদূত মুনশি ফায়েজ আহমেদ বলেন, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া সবগুলো দেশই যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু কিন্তু তারা চীনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলে। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একটি ভিশন এবং সবাই নিজেদের জাতীয় স্বার্থ দিয়ে এটিকে বিবেচনা করে এবং এ কারণে এটি প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা গুরুত্ব রাখে। সম্পাদনা : ইকবাল খান, রায়হান রাজীব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]