• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]ড. দেলোয়ার হোসেনের মতে, রাখাইনে মিয়ানমারের সৈন্যসমাবেশ উসকানিমূলক, বাংলাদেশকে ফাঁদে ফেলার অপচেষ্টা [২]দ্বিপক্ষীয় সমস্যা তৈরি করে রোহিঙ্গা সংকট চাপা দেয়ার প্রয়াস


[১]ড. দেলোয়ার হোসেনের মতে, রাখাইনে মিয়ানমারের সৈন্যসমাবেশ উসকানিমূলক, বাংলাদেশকে ফাঁদে ফেলার অপচেষ্টা [২]দ্বিপক্ষীয় সমস্যা তৈরি করে রোহিঙ্গা সংকট চাপা দেয়ার প্রয়াস

আমাদের নতুন সময় : 16/09/2020

ভূঁইয়া আশিক : [৩] এই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক আরও বলেন, মিয়ানমার চায় রাখাইনের সৈন্যসমাবেশকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ তাদের বিরুদ্ধে এমন কোনো ব্যবস্থা নিক, যাতে দ্বিপাক্ষিক সংকট তৈরি হয়। মিয়ানমার তখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বলতে পারবে, বাংলাদেশ সীমান্ত সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। এটা আসলে শোডাউন, বাংলাদেশ ও পুরো দুনিয়াকে নিজেদের শক্তি দেখানোর চেষ্টা। আন্তর্জাতিক দৃষ্টি রোহিঙ্গা ইস্যু থেকে অন্যত্র সরানোর প্রয়াস। [৪] রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের উপর বিশে^র বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আবারও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত থেকেও একটা চাপ আছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইস্যুটি নিয়ে অনেক আলাপ-আলোচনা, লেখালেখি হচ্ছে। সৈন্যসমাবেশ করে মিয়ানমার বোঝাতে চায়, তারা এসব একেবারেই গুরুত্ব দেয় না। [৫] সামনে নির্বাচন আছে মিয়ানমারে। দেশটির সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিজেদের কঠোর অবস্থান দেখাতে চায়, যাতে তাদের জনগণ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে আরও জোরালো অবস্থান নেয়। এই শোডাউন মূলত মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং নির্বাচনে সুবিধা নেওয়ার জন্য একধরনের তৎপরতা।
[৬] নতুন একটি আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, তা থেকে ফায়দা নেওয়ারও চেষ্টা আছে মিয়ানমারের। কারণ ভারত-চীনের মধ্যেকার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই অঞ্চলে মিয়ানমারের গুরুত্ব আগের অনেক বেড়েছে। [৭] মিয়ানমার আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবে না, আমরাও মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবো না। রাখাইনে সৈন্যসমাবেশ উসকানিমূলক। এ ধরনের ঘটনা মিয়ানমার আগেও করেছে, এখনো করছে, ভবিষ্যতেও করবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]