• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]ধর্ষণ ও হত্যা না করেও আসামিরা কীভাবে স্বীকার করলো, এটা বড় খটকা: হাইকোর্ট [২]আসামি ধরেই ব্রিফিং করলে তদন্ত বাধাগ্রস্ত হয়


[১]ধর্ষণ ও হত্যা না করেও আসামিরা কীভাবে স্বীকার করলো, এটা বড় খটকা: হাইকোর্ট [২]আসামি ধরেই ব্রিফিং করলে তদন্ত বাধাগ্রস্ত হয়

আমাদের নতুন সময় : 18/09/2020

নূর মোহাম্মদ : [২] নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের শিকার হয়ে মারা যাওয়া কিশোরী ফেরত আসা সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার আদালত এ কথা বলেন। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়।
[৩] হাইকোর্ট বলেছেন, আসামি গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গেই ব্রিফিং করে মিডিয়ার সামনে আনা বিচারকে প্রভাবিত করার সমান। সাংবাদিকদের দোষ কী? যদি তদন্ত কর্মকর্তা ব্রিফিং করেন, গায়ে লিখে হাজির করেন আসামির কাছে কি পাওয়া গেছে? পরে যদি স্বাক্ষী প্রমাণে দেখা যায় আসামি নির্দোষ, তখন কি হবে? [৪] আদালত বলেন, একটি ঘটনা শুরু হয়েছে, রাতেই টকশোতে আলোচনা করে সমাধান করে ফেললে তদন্তে প্রভাব পড়ে।
[৫] হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার সব নথি নিয়ে বৃহস্পতিবার হাজির হয়ে দুই তদন্ত কর্মকর্তা ব্যাখ্যা দেন। সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা লিখিত ব্যাখ্যায় বলেন, আমি তাদের অ্যারেস্ট করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তারা স্বেচ্ছায় স্বীকার করেছে। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দিয়েছি। ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দী রেকর্ড করেছেন। [৬] আদালত বলেন, একজন মানুষ কি দোষ স্বীকার করতে চায়? বলা হলো তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে, শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে। নদীর কোন পয়েন্টে ফেলে দেয়া হয়েছে- এ জন্য রিমান্ড চাওয়া হলো। কিন্তু ভিকটিম এসে বললো আমি মরিনি। পৃথিবীতে এমন কোনো নজির নেই, স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসামি দোষ স্বীকার করেছে। সেখানে ধর্ষণ ও হত্যার কথা না করেই স্বীকার করলো? এই মামলার তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। সম্পাদনা: ইকবাল খান, বাশার নূরু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]