• প্রচ্ছদ » » শিক্ষক নিয়োগ ও প্রমোশন নীতিমালা পরিবর্তন করুন


শিক্ষক নিয়োগ ও প্রমোশন নীতিমালা পরিবর্তন করুন

আমাদের নতুন সময় : 21/09/2020

কামরুল হাসান মামুন : ‘মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’, ‘ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সকল নিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল এড্রেস দেওয়া হবে’Ñ উপরের দুটো সংবাদই খুব গুরুত্বপূর্ণ। দুটো পদক্ষেপই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানকে অনেক বাড়িয়ে দেবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রথমটি নিতে ১০০ বছর দেরি হয়েছে। এর মধ্যে বিশ^বিদ্যালয়ের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। দ্বিতীয়টিও অনেক অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিলো। কিন্তু দেরিতে হলেও তেমন কোনো আন্দোলন ছাড়া হয়েছে এটা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে ধংসাত্বক আন্দোলন ছাড়া কর্তৃপক্ষ কোনো পজেটিভ কাজই করতে চায় না। এবার আমাদের কর্তৃপক্ষ করেছে, সেজন্য তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। এৎধুরব সরষষব. এবার আরেকটি কাজ করুন। আমাদের শিক্ষক নিয়োগ ও প্রমোশন নীতিমালাটি পরিবর্তন করুন। মান্ধাতা আমলের নীতিমালা দিয়ে বর্তমান বিশে^র ভালো বিশ^বিদ্যালয় হওয়া সম্ভব না। এই বিষয়ে আমি একটি ৬ দফা সুপারিশ দিয়েছি। এটা গ্রহণ করুন দেখবেন বিশ^বিদ্যালয়ের মান কীভাবে বাড়ে।
আরেকটি কথা। শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নামে যে একটি ডিভাইন রুল আছে সেটার ফরারহরঃু বন্ধ করুন। বিশ^বিদ্যালয়ে কোনো কিছুই ফরারহব থাকতে পারে না। বর্তমান এটি এমন অবস্থা যে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক কিংবা সহকারী থেকে সহযোগী অধ্যাপক হওয়ার জন্য ন্যূনতম শিক্ষকতার যেই অভিজ্ঞতা আছে। সেটা পোস্ট-ডক অভিজ্ঞতা কিংবা গবেষণা প্রবন্ধ সংখ্যা ও মান দিয়ে পড়সঢ়বহংধঃব করার ব্যবস্থা রাখুন। ভারতে পোস্ট-ডককে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা হিসেবে ধরা হয়।
বর্তমানে সহকারী অধ্যাপক হতে একটি মাস্টার্স ডিগ্রি ও দুয়েকটি প্রকাশনা লাগে। এখন কারও যদি ৩০টি নেচারসহ খুব ভালো মানের প্রকাশনা থাকে এবং পোস্ট-ডক অভিজ্ঞতা থাকে তবুও কি সে সহকারী অধ্যাপকই থাকবে? এমন কাউকে পেলে তাকে সরাসরি অধ্যাপক বানিয়ে দিন। এতে অন্যরা উৎসাহিত হবে। ধরুন কারও কেবল মাস্টার্স আছে এবং ৩ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা আছে। আর অন্য আরেকজনের পিএইচডি আছে, পোস্ট-ডক অভিজ্ঞতা আছে ১০-২০টি আন্তর্জাতিক ভালো মানের গবেষণা পত্র আছে। কিন্তু ৩ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নেই। এ দুজনের মধ্যে আমাদের বর্তমান নিয়ম অনুসারে প্রথমজন সহকারী অধ্যাপক হবেন দ্বিতীয়জন না। অথচ বিশে^র ভালো কোনো বিশ^বিদ্যালয়ে প্রথমজন চাকরিই পাবেন না। কিন্তু দ্বিতীজন চাকরি পাওয়ার সমূহ সম্ভবনা। অর্থাৎ বিশে^র সর্বত্র দ্বিতীয়জনকে বেটার প্রার্থী মনে করবে। এখন বুঝতে পারছেন, আমরা কেমন উল্টো জাতি? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]