• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]চীনের জিনজিয়ানে জনসংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে গেছে, তবুও উইঘুর বন্ধ্যাত্বকরণের কথা স্বীকার করছে না সরকার


[১]চীনের জিনজিয়ানে জনসংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে গেছে, তবুও উইঘুর বন্ধ্যাত্বকরণের কথা স্বীকার করছে না সরকার

আমাদের নতুন সময় : 22/09/2020

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] ২০১৮ সালের জিনজিয়ানের জন্মহার আগের বছরের চেয়ে এক তৃতীয়াংশ হয়ে গিয়েছিলো বলে স্বীকার করেছে জিনজিয়ান সরকার। তবে তারা বলছে, প্রদেশটিতে কোনও ধরণের জোরপূর্বক বন্ধ্যাত্বকরণ বা গণহত্যার ঘটনা ঘটেনি। সিএনএন।[৩] বন্ধ্যাত্বকরণ নিয়ে সিএনএন এর এক প্রতিবেদনের জবাবে ৬ পৃষ্ঠার এক ফ্যাক্সবার্তা পাঠিয়েছে জিনজিয়ান কর্তৃপক্ষ। তারা স্বীকার করে নিয়েছে, প্রদেশের নাগরিকদের বিশেষত উইঘুর মুসলিমদের মধ্যে জন্মহার কমছে। তবে সরকার জোর করে নারীদের বন্ধ্য করিয়েছে, এমন অভিযোগ পুরোপুরি মিত্যা। [৪] সিএনএন সেই স্টোরিতে উপাত্তসহ দাবি করেছিলো ১ সন্তানের বেশি কোনও নারীর থাকলেই তাকে কনসেনেেট্রশন ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে বন্ধা করে দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে ২০ লাখ উইঘুর ও অন্য মুসলিম সংখ্যালঘুকে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছে বলেও দাবি অনেক দিনেরই। [৫] ২০১৮ সালে পুরো চীনে আইডিইউ ইস্প্যান্টেশন কমে আসে। সে বছর দেশটিতে প্রতি ১ লাখ নাগরিকের মধ্যে মাত্র ২১ জন বন্ধ্যাত্বকরণের এই পদ্ধতি গ্রহণ করেন। তবে শুধু জিনজিয়ানে এই সংখ্যা লাখে ১ হাজার। অর্থাৎ চীনে বন্ধ্যা হওয়া ৮০ শতাংশ মানুষই জিনজিয়ানের। অবশ্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছেন, এই ব্যক্তিরা নিজ ইচ্ছায় বন্ধ্যা হয়েছেন। সম্পাদনা: ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]