• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]ফিনসেন ফাইল ফাঁস: ২ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি অবৈধ অর্থ লেনদেনের অনুমতি দিয়েছে বিশ্বের শীর্ষ ব্যাংকগুলো


[১]ফিনসেন ফাইল ফাঁস: ২ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি অবৈধ অর্থ লেনদেনের অনুমতি দিয়েছে বিশ্বের শীর্ষ ব্যাংকগুলো

আমাদের নতুন সময় : 22/09/2020

লিহান লিমা: [২] যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘ফিনান্সিয়াল ক্রাইম এনফোর্সমেন্ট নেটওয়ার্ক’ (ফেনসেন) এর কাছে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ‘সাসপিসাস অ্যাক্টিভিটি রিপোর্টস’ (সার্স) দাখিল করা হয়। এ ধরনের দুই হাজার একশটিরও বেশি নথি (সার্স) বাজফিড নিউজের হাতে এসেছে এবং তারা সেগুলো ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেশন জার্নালিস্ট (আইসিআইজে) ও অন্যান্য গণমাধ্যম সংস্থার সঙ্গে শেয়ার করেছে।[৪] আইসিআইজে জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ওই নথিগুলোতে ১৯৯৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দুই ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ লেনদেনের তথ্য আছে, এই তহবিলগুলোকে সন্দেহজনক বলে চিহ্নিত করেছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ইন্টারন্যাল কমপ্লায়েন্স ডিপার্টমেন্ট। বিবিসি, রয়টার্স। [৩] এতে উঠে এসেছে বিশ্বখ্যাত এইচএসবিসি ব্যাংক জালিয়াতদের বিশ্বজুড়ে বিলিয়ন ডলারের চুরিকৃত অর্থ স্থানান্তরে অনুমতি দিয়েছে। মার্কিন তদন্তদল এই অর্থ সম্পর্কে জালিয়াতির প্রতিবেদন দেয়ার পরও ব্যাংকটি এই অনুুমোদন দিয়েছে। ডয়েচে ভেলে।[৪] মালিকানা জানা না থাকা সত্ত্বেও জে পি মরগান ব্যাংক একটি কোম্পানিকে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ লন্ডনের শাখার মাধ্যমে স্থানান্তরের অনুমতি দিয়েছে। [৫] ফাঁস হওয়া নথিতে বলা হয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগি তার বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশের আরোপি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে লন্ডনের ব্লারক্লেস ব্যাংককে ব্যবহার করছেন। ফ্রান্স২৪।[৬] জার্মানির বিখ্যাত ডয়েচে ব্যাংকের মাধ্যমে মানি লন্ডারদের অবৈধ অর্থ সংঘবদ্ধ অপরাধ, সন্ত্রাসী কর্মকা- এবং মাদকপাচারের জন্য লেনদেন হয়েছিলো।[৮] প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জর্ডানের ব্যাংকে ক্লায়েন্টের অ্যাকাউন্টের অর্থ সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নে ব্যবহৃত হওয়ার পর স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড তা আরব ব্যাংকে সরিয়ে নেয়।[৯] ফিনসেন বলছে, এই ফাঁস হওয়া তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা এবং এই প্রতিবেদন তৈরি করা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে। সম্পাদনা: ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]