• প্রচ্ছদ » » [১]পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের ভাঙনে নির্ঘুম রাত কাটছে তীরবর্তী বাসিন্দাদের


[১]পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের ভাঙনে নির্ঘুম রাত কাটছে তীরবর্তী বাসিন্দাদের

আমাদের নতুন সময় : 28/09/2020

আলাউদ্দিন সোহাগ: [২] খুলনার পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের ভয়াবহ ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে ২নং কপিলমুনি ইউনিয়ানের মালথ গ্রামের আরজ মোড়লের বাড়ি থেকে পদ্মাকান্দার সাবেক পিচের রাস্তার ধার হয়ে সিলেমানপুর পাল পাড়া পর্যন্ত।
[৩] ভাঙনে ইতোমধ্যে অসংখ্য ঘরবাড়ি, গাছ-গাছালী, ফসলের ক্ষেত নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রতিদিন নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে এ এলাকার বাসিন্দারা।
[৪] ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।
[৫] সরেজমিন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কপোতাক্ষ নদীর গভীরতা কমে যাওয়া, ভারী বর্ষণে ও কোটালের প্রভাবে নদীতে পানি বৃদ্ধিতে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের মালথ গ্রামের আরজ মোড়লের বাড়ী হতে পদ্মাকান্দা সাবেক পিচের রাস্তার ধার হয়ে সিলেমানপুর পাল পাড়া অভিমুখী রাস্তা পর্যন্ড কপোতাক্ষ নদের প্রায় ৩/৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
[৬] ইতোমধ্যে কপিলমুনি ও হরিঢালী ইউনিয়ানের মালথ, সিলেমানপুর পালবাড়ির অসংখ্য ঘরবাড়ি, মূল্যবান গাছপালা, ক্ষেতের ফসলি জমি, নদীতে বিলীন হয়ে গেছে ।
[৭] মালথ ও সিলেমানপুরের মোকাম মোড়ল, গনি, পাগল, জব্বার মোড়ল, সৈয়দ মোল্যা, আ. জব্বাররা জানান, অনেক আগে থেকেই ভাঙন সৃষ্টি হলেও এতটা ভয়াবহ ছিল না। স¤প্রতি ভারী বর্ষণের ফলে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে। কেয়ারের রাস্তা অনেক আগেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
[৮]দুলাল, গনেশরা জানান, ৩০/৪০ পরিবারের বাড়িঘর নদীতে চলেগেছে। বাকী যারা আছি ভয়াবহ ভাঙ্গনের কারণে প্রতিদিন ছেলেমেয়েদের নিয়ে আমাদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে।
[৯] শনিবার কপিলমুনি মালথ ও সিলেমানপুরের নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।
[১০] পরিদর্শনকালে ইউএনও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আশ্বাস, ১হাজার বালি ভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙ্গন প্রতিরোধের ব্যবস্থা, টেঁকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দেন।
[১১] ইউপি সদস্য এজাহার আলী গাজী জানান, স্থানীয়ভাবে কয়েকবার বাঁশের পাইলিং করে ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ভাঙনের ভয়াবহতা এতটাই বেশি কোন পাইলিং কাজে আসছে না। [১২]ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোমাদ্দার জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের পুর্নবাসন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
[১৩]উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম সিদ্দিকী জানান, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৬শ মিটার স্থানে ১হাজার বালি ভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙ্গন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]