• প্রচ্ছদ » » ধর্ষণ নিয়ে রাজনীতি রাজনীতিতে ‘ধর্ষণ’ ইস্যু


ধর্ষণ নিয়ে রাজনীতি রাজনীতিতে ‘ধর্ষণ’ ইস্যু

আমাদের নতুন সময় : 14/10/2020

রবিউল আলম : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের নারী বিবস্ত্রের ঘটনাকে বিশে^র জঘন্যতম বলতে আমার দ্বিধা নেই। এর চেয়ে কঠিন নির্যাতনে শিকার হয়েছে নারী, কিন্তু জনসম্মুখে আসেনি। পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করেছে দেলোয়ার বাহিনী। মৃত্যুদÐ এদের জন্য অনেক কম সাজা হবে। ধর্ষণকে রাজনৈতিক করে মৃত্যুদÐ আদায়কারীরা ধর্ষণকে রাজনৈতিক করে আজ যে বীজ রোপন করলেন। আমার ভয় এলাকার আদিপত্য বিস্তার, মাদক কারবার, জমি সংক্রান্ত, প্রেমের ফাঁদে ধর্ষণকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীদের মামলার কী হবে? এখন ধর্ষণকে নতুন করে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে। রাজনীতির দেউলিয়াত্ব কোথায় এনে দাঁড় করিয়েছে এ সমাজ ও দেশকে। এদেশের মানুষ হরতাল, অবরোধ, ধর্মঘট ভুলে গেছে, শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতির কাছে। বিদ্যুতের দাবি নেই, পানির অভাব নেই। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত। শিল্প-কারখানার বিস্তার অবিশ্বাস্য, বহির্বিশ্ব চমকৃত বাঙালির নবউৎথানে। নদীর তলদেশ থেকে আকাশ পথের জয় জয়কার শেখ হাসিনার। রাজনীতি করার জন্য বিরোধী দলের কাছে কিছু বাকি রাখেনি।
খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে শিকায় উঠিয়ে দিয়েছেন মানবতার জননী, প্রশ্ন করার জায়গা রাখেনি। ছাত্র অধিকারের নামে নারী নির্যাতনের দাবিকে প্রশ্রয় দিতে হবে, অবাধে নেশার জগতে বিস্তার করতে দিতে হবে, প্রেমের নামে ধর্ষণকে বৈধতা দিতে হবে। ধর্ষণের জন্য মৃত্যুদÐের দাবি ছিলো অবিশ্বাস্য, তার পরেও শেখ হাসিনা মিটিয়ে দিয়েছে, এখন অপেক্ষা পালা। সাধারণ ধর্ষণকারী ও ছাত্র অধিকার, ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র শিবিরের ধর্ষণ কারীদের মৃত্যুদÐ কীভাবে কায্যকর হয়। কীভাবে পুরুষ নির্যাতনে বিচার হয়। আমরা কী আসলেই ধর্ষণের বিচারের জন্য রাজপথে নেমে ছিলাম। নাকি রাজনৈতিক দৈউলিয়াপণা থেকে মুক্ত হতে ধর্ষণকে হাতিয়ার করেছি। যদি তাই হয়, তবে রাজনীতিকে ধর্ষণ করা হয়েছে, আমি মনে করি। লেখক : মহাসচিব, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]