• প্রচ্ছদ » » ‘নৃশংস পুলিশ’ কীভাবে তৈরি হয়?


‘নৃশংস পুলিশ’ কীভাবে তৈরি হয়?

আমাদের নতুন সময় : 14/10/2020

খান আসাদ : পুলিশ ব্যক্তি হিসেবে একটি সিস্টেমের অংশ, যে সিস্টেম মূলত অর্থনৈতিক লুটপাট, এলিট সিন্ডিকেটের হাতে অর্থনৈতিক, সামরিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভ‚ত। যে সমাজে বৈষম্য ও সহিংসতার বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চুপ এবং রাজনীতিবিদেরা রাষ্ট্রযন্ত্রের উপর নির্ভরশীল। নৃশংস পুলিশ তৈরি হয় যখন সে জানে যে, অপরাধ করে পার পাওয়া যায়। ব্রিটিশ, পাকিস্তানি পুলিশ ভিনদেশি ছিলো, বিদায় দেওয়া গেছে জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের মাধ্যামে। কিন্তু বাংলাদেশের পুলিশদের নৃশংসতা নিয়ে কী করবেন? তারা তো বাংলাদেশের পুলিশ। তাদের মানুষ করার দায়িত্ব তো আমাদেরই। এই প্রশ্নটাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের আইজি, পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তাদের করুন। তারা পুলিশদের কী শিক্ষা দিচ্ছে, কী আইনি ব্যবস্থা রয়েছে পুলিশের অপরাধের বিচারের। আমি আশা করছি, পুলিশের ভেতর থেকেই একটি প্রতিরোধ গড়ে উঠুক তাদের পেশার ঘৃণ্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে। পুলিশের ভেতর থেকেই ঘৃণা জানানো হোক।
পুলিশেরা নিজেরাই মানববন্ধন করুক প্রকাশ্যে, এই বলে যে তারা এই নৃশংসতার বিপক্ষে। পুলিশ প্রকাশ্যে জনতার কাছে ক্ষমা চাক। পুলিশের বেতন এই জনগণ দেয়। পুলিশ প্রমাণ করুক, তারাও মানুষ। খুব বিস্ময় লাগে পুলিশের কর্মকর্তাদের নিরুত্তাপ মনোভাবে। আপনার ঘুষ খান, দুর্নীতি করেন, মানুষ কিন্তু সেটা সিস্টেমের সমস্যা হিসেবেই জানে। কিন্তু যখন ব্যক্তি পুলিশের ধর্ষকামী নৃশংসতার সংখ্যা বেড়েই চলেছে, আপনাদের ধারণা কি এরকমই চলবে? প্রতিটি কাজের বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকে, নিজেদের সর্বশক্তিমান ভাবা বন্ধ করুন। আপনাদের ধর্ষকামী নৃশংস মনোভাবের প্রতিফলন ঘটে আপনাদের কনিষ্ঠ সদস্যদের আচরণে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]