• প্রচ্ছদ » » সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনের শিকার নিহত তরুণের শিশু সন্তানের কান্না, আর্তনাদে আল্লাহর আরসও কেঁপে ওঠার কথা


সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনের শিকার নিহত তরুণের শিশু সন্তানের কান্না, আর্তনাদে আল্লাহর আরসও কেঁপে ওঠার কথা

আমাদের নতুন সময় : 14/10/2020

ডা. মো. তাজুল ইসলাম : [১] সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে নিহত তরুণের শিশু সন্তানের কান্না, আর্তনাদে আল্লাহর আরসও কেঁপে ওঠার কথা [২] মাত্র ১০ হাজার টাকা ঘুষ না পাওয়াতে হাতের নখ উপরে ফেলে, পিটিয়ে হাত পা থ্যাতলে দিয়ে, নির্মম ভাবে মেরে ফেলা, কতো সহজ কাজ তাদের জন্য। [৩] কথায় কথায় মৃত্যুদÐ বলেন, তাদের ফাঁসি/মৃত্যুদÐ তো কয়েক মিনিটের সহজ মৃত্যু। ওই রকম নখ উপরে, শরীর থ্যাতলে দিয়ে যে অসামান্য কষ্ট এটি তার তুলনায় কোনো শাস্তিই নয়। [৪] তাই ধর্ষণের জন্য মৃত্যুদÐ একটি নিস্ফল, আবেগীয় দাবি ছিল। হত্যা, খুনোখুনি-সহ এমনকি শুধু নারী ও শিশু নির্যাতন আইনেই নাকি ৭টি ধারায় মৃত্যুদÐ রয়েছে। কই এতে কি কমেছে হত্যা খুনোখুনি কিংবা নারীর প্রতি সহিংসতা? [৫] কেননা আইনের প্রয়োগ হলো বড় কথা। বরং এতে শাস্তির সম্ভাবনা আরো কমে যাবে। আইন ও শালিস কেন্দ্রের হিসাবে, এখন ধর্ষণে শাস্তি হয় ২-৩ শতাংশ। মৃত্যুদÐ বিধান থাকলে তা আরও কমে যাবে। কেননা আইন যতো কঠিন তার প্রমাণ করতে হবে ততো নিখুঁতভাবে। আদালত সহজে তাই কাউকে এতো দাগি আসামি করতে দশবার ভাববে, কেননা এটাই ন্যায় বিচার, একজন মানুষকে মৃত্যুদÐ দেওয়ার আগে অনেক প্রমাণের প্রয়োজন। [৬] তাছাড়া মৃত্যুদÐ হলে সে বিচার সর্বোচ্চ আদালত হয়ে রায় হতে কমপক্ষে ১২ বছর লাগবে (শাহ্ দীন মালিক)। এতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বলতে যে বোঝায় দৃশ্যমান চাক্ষুষ শাস্তি সেটাই তো হবে না। তাহলে অপরাধ কমবে কীভাবে? [৭] বরং এই আইনের অপব্যবহার করবে দুষ্ট চক্র, পুলিশ ও অন্যরা, শুধু প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করার জন্য। আসুন ওই শিশুর বাবা হত্যার কষ্টদায়ক, দৃশ্যমান শাস্তি দাবি করি।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]