• প্রচ্ছদ » » ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলে পড়ালেখা বাধ্যতামূলক করা উচিত


ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলে পড়ালেখা বাধ্যতামূলক করা উচিত

আমাদের নতুন সময় : 21/10/2020

কামরুল হাসান মামুন : বিশ^বিদ্যালয় থেকে পাস করা মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক। ঠিক এই কথাটিই আমি বলতে বলতে হয়রান হয়ে গেছি। গাঁথুনিটা শক্ত ও মজবুত করতে হবে। জাপান, জার্মানি, কোরিয়াসহ বিশে^র সভ্য দেশগুলোতে তাকান, দেখবেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো থেকে শুরু করে শিক্ষকদের মান মর্যাদা ও বেতন কতো সম্মানজনক। মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে চাইলে শুধু বেতন কিংবা শুধু সম্মান দিলেই হবে না। দুটোই সমান তালে লাগবে। ঢাকা শহরে প্রচুর প্রাইমেরি স্কুল আছে। এগুলোর নিজস্ব জায়গা আছে। কিন্তু আমরা কি এই জায়গার সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারছি? কেন স্কুলগুলোর অবকাঠামো উন্নত করা হয় না, কেন ভালো মানের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয় না? কেন সমাজের সকল স্তরের মানুষদের তাদের নিজ এলাকার প্রাইমেরি স্কুলে পড়তে উৎসাহিত করা হয় না। কেন কেবল আয়া-বুয়াদের ছেলেমেয়েরাই প্রাইমেরি স্কুলে পড়বে। এই ছোট বয়সে উচ্চ বিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নি¤œবিত্তের বাচ্চাদের একই স্কুলে পড়ার ব্যবস্থা করতে পারলে সমাজে বৈষম্য অনেক কমে যেতো। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলে পড়া বাধ্যতামূলক করা উচিত, যেখানে মূলত সিভিক সেন্স, আচার-আচরণ, খেলাধুলা, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে শিক্ষিত করা হবে। এখন যারা নিয়োগ পাচ্ছে তারা কারা? তাদের অনেকেই জীবনে ব্যর্থ। তারা কোথাও কোনো চাকরি না পেয়ে একদম শেষ চেষ্টা হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়। আর সেটাও হয় ঘুষ দিয়ে। তারা কীভাবে আমাদের ছেলেমেয়েদের নৈতিকতা শেখাবে। সমাজে প্রতারক আর দুশ্চরিত্রের মানুষে সয়লাব হওয়ার এইটা একটা কারণ।
বিশ^বিদ্যালয় থেকে স্কুলে পড়ানো বেশি কঠিন। বিশেষ করে প্রাইমেরি স্কুলে। একেকটা বাচ্চা একেক রকম। প্রত্যেক বাচ্চাকে কাস্টোমাইজড এটেনশন দিতে হয়। এই কথাটা বোঝার মতো শিক্ষক কি আমাদের বর্তমান প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের আছে? সমাজে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা প্রায় নেই বললেই চলে। রাষ্ট্র তাদের সাথে যাচ্ছে তাই ব্যবহার করে। নির্বাচন থেকে শুরু করে আদমশুমারিসহ নানা কাজে তাদের ব্যবহার করে কিন্তু সম্মান দেয় না। আমাদের সামাজিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ এই জায়গায় আমাদের চরম অবহেলা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]