• প্রচ্ছদ » » বিগত এক যুগে আওয়ামী লীগের ইমেজ নষ্ট করতে যতোগুলো ঘটনা ঘটেছে


বিগত এক যুগে আওয়ামী লীগের ইমেজ নষ্ট করতে যতোগুলো ঘটনা ঘটেছে

আমাদের নতুন সময় : 21/10/2020

মোহাম্মদ শরিফ : বেগমগঞ্জের বিযয়টি কাভার করতে গিয়ে মিডিয়া কতোগুলো পারসেপসেনের উপর নির্ভর করেছিলেন। তাই এক মিডিয়ায় বলা হয়েছিলো যে, স্থানীয় কৃষক লীগের একজনের সাথে ধর্ষকদের সখ্যতা আছে এবং তিনিই বিষয়টি চেপে রেখেছিলেন এক মাস। পরবর্তী সময়ে কিছু কিছু মিডিয়ার রিপোর্টারা সেখানে সশরীরে হাজির হন। তা থেকে জানা যায় যে, এক ইউপির সদস্যের নজরে বিষয়টি আনা হয় এবং তিনি মধ্যস্থতা করতে গিয়ে এক মাস সময় ক্ষেপণ করেন। কিন্তু ধর্ষকরা বø্যাক মেইল করার অস্ত্র হিসেবে যে ভিডিও করা হয়েছিলো এবং যে শর্ত ওরা দিয়েছিলেন ভিক্টিমকে সেই মোতাবেক সেই ভিডিওটি ভাইরাল করার স্পর্ধা দেখান। পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ সকলের জানা। আমার কাছে শঙ্কাজনক মনে হয়েছে সরকারি দলের এমপি ও মেয়েরের পরস্পর বিরোধী বক্তব্য এই বিষয় নিয়ে। এমপি মহোদয় সরাসরি মেয়র মহোদয় এর দিকে কাঁটা ঘুরিয়ে দিলেন। মেয়র মহোদয় অবশ্য এমন স্পর্শকাতর বিষয়কে রাজনৈতিক আলোকে না দেখার অনুরোধ করেন। এখানে স্পষ্টভাবে স্থানীয় রাজনৈতিক কোন্দল ফুঁটে উঠেছে। সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক এর নিজস্ব এলাকা।
গোটা দেশে এই কোন্দলের কি ভয়াবহ চিত্র তা সিলেটের ঘটনায় বাবুল চৌধুরী বক্তব্য থেকেও আঁচ করা যায়। ঘটনাচক্রে যদি বাবুল চৌধুরী ওইখানে ওই সময় না থাকতেন তবে বিচার-আচার দুরের বিষয় ঘটনাটি হয়তো আমরা জানতেই পারতাম না। বেগমগঞ্জের ওই এলাকাটিও অনেকটা বিচ্ছিন্ন। সেটাও অগোচরেই থেকে যেতো যদি না ধর্ষকরা ভাইরাল করার স্পর্ধা না দেখাতো। প্রশ্ন হলো এই স্পর্ধা এলো কোত্থ থেকে? সিলেটও কিন্তু সরকারি দলের এক পক্ষের চাপে পরে ওসি দ্বিধাদ্ব›েদ্ব ছিলেন। এসআই এবং বাকি সদস্যরা বাবুল চৌধুরীর পক্ষ নেয়ায় তখন আসামীরা পালিয়ে যেতে পারলেও (ওসি ডিসিশন নিতে দেরি করায়) পরবর্তী সময়ে তাদের ধরা হয়। বাবুল চৌধুরী যদি ওদের চিহ্নিত করতে স্বচেষ্ট না হতেন এবং আলামত সংগ্রহে দূরদর্শিতার পরিচয় না দিতেন তবে এই মামলা দায়ের করা সম্ভবপর হতো না। সরকারি দল করেও কেউ পার পায় না এটা গর্ব করে বলার চেয়ে যদি দলীয় কোন্দল রোধ করে দুষ্টের দমন ঘটনাগুলো ঘটার আগেই করে ফেলতে পারেন নিজেরা তবে কি সেটা বেশি গর্বের নয়? দল পরিচালনা করার সহায়কও একই সাথে। নজরদারি থাকলে লীগ নামধারীরা আবরারকে হত্যা করতে পারতো না। নয়নরা একদিনে বন্ড হয়ে উঠে না। ‘ক্রস’ করে দিলেই স্থানীয় রাজনীতি শুদ্ধ হয়ে যাবে না রাতা-রাতি। বিশ্বজিৎহত্যাকাÐেও কিন্তু ভ‚ঁইফোড়দের অতি উৎকাজ করেছিলো। বিগত এক যুগে লীগের ইমেজ নষ্ট করতে যতোগুলো ঘটনা ঘটেছে, ইমেজ রক্ষা করতে গিয়ে বাকযুদ্ধে যে শ্রম-মেধা ক্ষয় হয়েছে, অনেকগুলো ঘটনার জের পরবর্তী যে রাজনৈতিক আবাহ তৈরি হয়েছে তার জন্যে দলীয় সাধারণ সম্পাদক এককভাবে দায়ী। সভানেত্রী কেন সরাচ্ছেন না তাকে? মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]