• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]তীব্র গণবিক্ষোভের মুখে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারে বাধ্য হলেন থাই প্রধানমন্ত্রী


[১]তীব্র গণবিক্ষোভের মুখে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারে বাধ্য হলেন থাই প্রধানমন্ত্রী

আমাদের নতুন সময় : 22/10/2020

লিহান লিমা: [২] থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ও-চা বুধবার বলেছেন, ব্যাংককে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি জারিকৃত জরুরী অবস্থা তুলে নেয়া প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই সময় তিনি আরও বলেন, যে কোনো বিতর্ক পার্লামেন্টেই সমাধান হওয়া উচিত। আল জাজিরা।
[৩] থাই পার্লামেন্টে প্রায়ুথের সামরিক জান্তা সরকারই সংখ্যাগরিষ্ঠ। পুরো উচ্চকক্ষই জান্তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
[৪] মধ্য-জুলাই থেকে চলমান এই বিক্ষোভে আন্দোলনকারীরা ২০১৪ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতায় আসা সাবেক সেনাপ্রধান প্রায়ুথ চান ও-চার পদত্যাগ, রাজতন্ত্রের সংস্কার ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে শিক্ষার্থীদের পরিচালিত এই বিক্ষোভ তুমুল আকার ধারণ করায় গত বৃহস্পতিবার দেশটির সরকার জরুরি অবস্থা জারি করে। তবে বিক্ষোভকারীরা জরুরি অবস্থা অমান্য করেই বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন।ব্যাংকক পোস্ট।
[৫] বুধবারের বিবৃতিতে থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে আমি ব্যাংককে জরুরী অবস্থা তুলে নিচ্ছি, যদি কোনো সহিংসতা সৃষ্টি না হয় তবে বাকি প্রদেশগুলোতেও জরুরী অবস্থা তুলে নেয়া হবে।
[৬] প্রায়ুথের ঘোষণার সময়ও হাজারো বিক্ষোভকারীদের গর্ভমেন্ট হাউসের সামনে জড়ো হয়ে তার পদত্যাগ, জরুরী অবস্থা তুলে নেয়া ও আটককৃত বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, গত বছরের কারচুপির নির্বাচনে প্রায়ুথ ক্ষমতা কবজা করেছেন। অন্য বিক্ষোভকারীরা বলছেন, থাই রাজা গত কয়েক বছর ধরে সেনাবাহিনীর ওপর প্রভাব বাড়াচ্ছেন। এই দেশ জনগণের, রাজার নয়। সম্পাদনা: ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]