• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]করোনা মানুষের কোষে ঢুকে পড়ার জন্যে দায়ী প্রোটিন চিহ্নিত করলেন বিজ্ঞানীরা


[১]করোনা মানুষের কোষে ঢুকে পড়ার জন্যে দায়ী প্রোটিন চিহ্নিত করলেন বিজ্ঞানীরা

আমাদের নতুন সময় : 23/10/2020

রাশিদুল ইসলাম : [২] সায়েন্স জার্নালে এই গবেষণার রিপোর্ট বলছে, সার্স-কভ-২ ভাইরাল প্রোটিনের অন্যতম প্রধান হোস্ট ফ্যাক্টর এই প্রোটিন। অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম বা এসিই-২ রিসেপটর প্রোটিন করোনার আধার হিসেবে কাজ করে। যার সঙ্গে করোনাভাইরাস মানব শরীরে দ্রুত ঢুকে পড়ে। গবেষকরা বলছেন, এই প্রোটিনের নাম নিউরোপিলিন-১।
[৩] নিউরোপিলিন-১ হল ট্রান্সমেমব্রেন প্রোটিন। এনআরপি১ জিন দিয়ে তৈরি। দেহকোষের পর্দায় থাকে এই প্রোটিন। এর কাজ হল রিসেপটর বা ধারকের। স্নায়ুর মাধ্যমে আসা বার্তা কোষে পৌঁছে দেওয়া, কোষের সুরক্ষা, মাইগ্রেশন সবই করে এই প্রোটিন।
[৪] স্কুল অব বায়োকেমিস্ট্রির গবেষক পিটার কুলেন, স্কুল অব সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার মেডিসিনের গবেষক ডক্টর ইয়োহেই ইয়ামউচ এই গবেষণার প্রসঙ্গে বলেছেন, মানুষের দেহকোষে এই রিসেপটর রক্ষীর কাজ করে। তাই এই প্রোটিনকে আগে কব্জা করে সার্স-কভ-২ ভাইরাল স্ট্রেন। ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন এমনভাবে এই রিসেপটরকে কাবু করে ফেলে যে সুরক্ষার কথা না ভেবেই নিউরোপিলিন-১ স্পাইকের সঙ্গে জুড়ে যায়। ভাইরাসের প্রোটিন ও মানুষের দেহকোষের প্রোটিন একসঙ্গে মিলে যায়। একবার কোষের ভেতরে ঢুকতে পারলেই বিভাজিত হয়ে অসংখ্য প্রতিলিপি তৈরি করে ফেলে। এইসব প্রতিলিপি তখন নানা অঙ্গের কোষে ছড়িয়ে পড়ে।
[৫] জার্মানির মিউনিখ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলছেন, রিসেপটর নিউরোপিলিন-১ প্রোটিনের কার্যকারিতা যদি কমিয়ে দেওয়া যায় বা মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি দিয়ে যদি দেহকোষের প্রোটিন ও ভাইরাল প্রোটিনের সংযুক্তি আটকে দেওয়া যায়, তাহলেই কোষের ভেতরে সংক্রমণ ছড়াতে পারবে না। সম্পাদনা: ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]