• প্রচ্ছদ » » কতো ছেলে মেয়ের যে চাকরি দিয়েছেন রফিক দুলাভাই


কতো ছেলে মেয়ের যে চাকরি দিয়েছেন রফিক দুলাভাই

আমাদের নতুন সময় : 25/10/2020

সিদ্দিক মাহমুদ : আমি অত্যন্ত মর্মাহত, ব্যাথিত, বেদনার্ত। ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক চলে গেলেন। কতো শত স্মৃতি এসে ভর করছে মনের পর্দায়। কলকাতায় যখন থাকতাম, তখন ওদের বিয়ে হলো, রফিক ভাই আর হেনা আপার। সেটা সম্ভবত ১৯৫৫ সালের কথা। রফিক ভাই তখন সবে ‘ল’ পাস করেছেন, আর হেনা আপা ডাক্তারি পড়ছেন। ওরা কলকাতায় এসে ওদের বালু হক্কক লেনের দোতলা বাড়িটাতে এসে উঠলেন। থাকা ওখানে আর খাওয়া ৮বি তারক দত্ত রোডে, আমাদের বাসায়। আহ, কী মজা হতো সে সময়। হেনা আপা, মনে হয় বিশে^র সবচেয়ে সুধাময়ী নারী। আর দুলাভাই অত্যন্ত প্রাণবন্ত যুবক। পরে অনেক দিনের ফারাক। আমরা যশোরে ১৯৬৫ সাল থেকে, তখন ওরা প্রায়ই আসতেন বেড়াতে। ১৯৬৯ সালে আমি যখন বিএ পাস করলাম। তিনি বললেন, ঢাকায় চল, তোকে চাকরি দিয়ে দিই। মা বললেন, না বড় আপা মাস্টার্স, বড় ভাই মাস্টার্স ও মাস্টার্স না করে চাকরি করবে না। আমার ভাগ্যটা নিতান্ত খারাপ ছিলো তার পর বাধলো যুক্তিযুদ্ধ, পারিবারিক জটিলতা। পুরো ১০ বছর পর মাস্টার্স পাস করে ঢাকায় গেলাম। দুলাভাই বললেন, ধন্য তোর অধ্যাবসায়’। তারপর আমাকে ঢুকিয়ে দিলেন প্রথমে এডরুক কোম্পানিতে, তারপর ৩ বছর পর বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি বারডেমে যোগ দিলাম। তারপর ইতিহাস। আমাদের আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে কতো ছেলে মেয়ের যে চাকরি দিয়ে দিয়েছেন রফিক দুলা ভাই, গুণে শেষ করতে পারবো না। তার কাছে কেউ গেলেই হলো। কোনো না কোনো জায়গায় ঠিক গুঁজে দিতেন। এতো প্রতিষ্ঠানের সাথে তার পরিচয়, ঘনিষ্টতা। এতো মানুষ তাকে ভালোবাসতো, শ্রদ্ধা করতো। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]