• প্রচ্ছদ » » আমরা আসলে ধর্ষণের বিরোধিতা করি না কারা ঘটনাটা ঘটালো তাদের বিরোধিতা করি


আমরা আসলে ধর্ষণের বিরোধিতা করি না কারা ঘটনাটা ঘটালো তাদের বিরোধিতা করি

আমাদের নতুন সময় : 26/10/2020

শওগাত আলী সাগর : [১] বাংলাদেশের কি ধর্ষণের ঘটনা কমে গেছে? নাকি ধর্ষণের খবর পরিবেশন কমেছে? কিংবা ধর্ষণ নিয়ে কথা বলা আমরা কমিয়েছি? [২] আমরা অবশ্য এমনিতেই সব ধর্ষণ নিয়ে কথা বলি না। কোনো কোনো ধর্ষণ নিয়ে ‘গেলো গেলো’ বলে এতোটাই প্রতিক্রিয়া দেখাই যে- পৃথিবীটাই উচ্ছন্নে গেলো বলে বোধহয়। আবার কোনো কোনো ধর্ষণ নিয়ে একেবারেই কথা বলা পছন্দ করি না। আমরা আসলে ধর্ষণের বিরোধিতা করি না, কারা ঘটনাটা ঘটালো তাদের বিরোধিতা করি। [৩] আমি সবসময়ই বলি, ধর্ষণ বন্ধে সামাজিক আন্দোলন দরকার। সেটি কেবল নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে মিছিল নিয়ে যাওয়ার মধ্যেই সীমিত না। এর বিরুদ্ধে জনমত গঠন, মানুষকে সচেতন করার জন্য নানা রকম পদক্ষেপ হতে পারে। তবে সামাজিক আন্দোলন আপনি করবেন কী না তার পূর্ব শর্ত হচ্ছে- অপরাধ এবং অপরাধী দুটোরই বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া।’ চুজ অ্যান্ড পিক’ করে সামাজিক সচেতনতা তৈরির আন্দোলন হবে না। [৪] পশ্চিমের অধিকাংশ দেশেই রেপ বা ধর্ষণ নিয়ে আলাদা কোনো আইন নেই। আছে ‘সেক্সুয়্যাল অ্যাসল্ট’ এর আইন। শাস্তি পাওয়ার জন্য অঙ্গভঙ্গি করে বা মুখের কথায় অ্যাসল্ট করলেও সেই আইনের আওতায় পরতে হয়। রেপের সাথে ‘পেনিট্রেশনে’র সম্পর্ক আছে। ‘সেক্সুয়্যাল অ্যাসল্ট’ এর আইনে শাস্তি পাওয়ার জন্য ’পেনিট্রেশন’ পর্যন্ত যাওয়ার কোনো দরকার নেই, অঙ্গভঙ্গি বা খের কথায় হয়রানি করলেও আপনাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। [৫] কেবল ধর্ষণ নয়, সেক্সুয়্যাল অ্যাসল্টের বিরুদ্ধেই আসলে আমাদের কথা বলা দরকার। দেখা দরকার, আমি যা বলছি বা লিখছি সেটি কাউকে ‘অ্যাসল্ট’ করছে কিনা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]