• প্রচ্ছদ » » ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় বিদ্যায়তনেও এখন পরিচিত লেখক, কবি ও সাহিত্যিকদের পাঁচজনও খুঁজে পাওয়া যায় না কেন?


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় বিদ্যায়তনেও এখন পরিচিত লেখক, কবি ও সাহিত্যিকদের পাঁচজনও খুঁজে পাওয়া যায় না কেন?

আমাদের নতুন সময় : 26/10/2020

মাহবুব মোর্শেদ : কবি-সাহিত্যিকদের বিশ^বিদ্যালয়ের কোনো বিভাগে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিলে শুধু সেই বিভাগের শিক্ষার্থীরাই লাভবান হন না, ক্লাসরুমের বাইরেও আড্ডা-আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়। ফলে অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও লাভবান হন। ঢাকা কলেজে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ক্লাস ও আড্ডায় বহু শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছেন। জগন্নাথ কলেজে শওকত আলী এমন ভ‚মিকা পালন করেছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসান আজিজুল হকের কথা বলা যায়। তার কারণে সেখানে বহু কবি-সাহিত্যিক গিয়েছেন। বলা চলে, হাসান আজিজুল হক সে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করার ভ‚মিকা এখনও পালন করে চলেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মোহাম্মদ রফিক ও সেলিম আল দীন যে ভ‚মিকা পালন করেছেন সেটাও এ প্রসঙ্গে মনে করা যায়। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যান্ড ইমেজ বাড়ায় গবেষষণা। আর পাবলিক ইমেজ বাড়ান সেখানে অধ্যাপনারত লেখক, বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিকরা। দুঃখজনক হলেও সত্য, এ সময় এসে নীতিনির্ধারকরা এসব নিয়ে আর ভাবেন না। অথচ আগে এসব ভাবা হতো। এ কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় বিদ্যায়তনেও এখন চেনাপরিচিত বুদ্ধিজীবী, লেখক, কবি, সাহিত্যিক পাঁচজনও খুঁজে পাওয়া যাবে না। শুধু যে নীতিনির্ধারকরা এ জিনিস বোঝেন না তা-ই নয়। পাবলিকও বোঝে না। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত দশ বছরে চারশ শিক্ষক নেওয়া হয়েছে। বলা বাহুল্য, সবই মতাদর্শিক বিবেচনায়। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনাকারীরা শিক্ষক নেননি। নিয়েছেন ভোটার। এদের অনেকেরই যোগ্যতা নেই। কিন্তু এ শিক্ষকদের যোগ্যতা নিয়ে কেউ প্রশ্ন করবে না। প্রশ্ন করবে, কোনো লেখককে শিক্ষক নিয়োগ দিলে। এখন আমাকে একটা প্রশ্নের উত্তর দেন তো, আওয়ামীপন্থী বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন যদি দলীয় বিবেচনায় ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে তাদেরই দলের সমর্থক নির্মলেন্দু গুণকে বাংলা বিভাগে কবিতা পড়ানোর জন্য নিয়োগ দিতো তাহলে তিনি কোন অধ্যাপকের চেয়ে কম পড়াতেন? আর এটা করলে, তিনি কি পুরস্কার ও অর্থ সাহায্যের জন্য কোথাও যেতেন? নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা দিয়ে নিজের সচ্ছলতা নিশ্চিত করতে তাকে বেগ পেতে হতো? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]