• প্রচ্ছদ » » ব্যারিস্টার রফিক উল হক : আইনের এক নির্ভিক মশাল


ব্যারিস্টার রফিক উল হক : আইনের এক নির্ভিক মশাল

আমাদের নতুন সময় : 26/10/2020

সাঈদ তারেক : ব্যারিস্টার রফিককে কাছে থেকে দেখে এসেছি ৩০ বছরের ওপর। তার আগে জানতাম তার কথা। লোকমুখে নানা গুণের কথাও শুনতাম। কিন্তু ’৯০ এর পর কিছু মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রায়ই যেতে হতো তার কাছে। ব্যক্তি পর্যায়ে দেখা তখন থেকে। একজন একরোখা নীতিবান মানুষ। অন্যায়ের সাথে আপোস করবেনই না। যা বলবেন সোজা সাপ্টা। কারও পছন্দ না হলে দায়িত্ব তার। পেশার ব্যপারে শতভাগ আন্তরিক। আইনের জাহাজ। আইনের এমন কোনো বিষয় নেই যার ওপর দখল নেই। একজন অকৃত্রিম দেশপ্রেমিক। সাচ্চা গণতন্ত্রী। এমন এক মানুষ যার গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। এভাবেই দেখেছি আমি ব্যারিস্টার রফিককে। এরশাদ সাহেবের একটা গুণ ছিলো- তিনি রাষ্ট্রীয় কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে কখনও লাল্লুপাঞ্জু বা অন্ধ দলদাসদের বসাননি। মানীকে সম্মান দিতে জানতেন, গুণীর কদর করতেন। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বা অ্যাটর্নি জেনারেল পদে ব্যরিস্টার রফিককে নিয়োগ দিয়েছিলেন। এই পদে ছিলেন তিনি ’৯০এর ডিসেম্বর পর্যন্ত। পুরোটা সময় নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এরপর আবার ফিরে আসেন আইন পেশায়। বিচার ব্যবস্থাপনা যুগোপযোগী করা, পেশার মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করে গেছেন। এক সময় দেশে রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হলে নিজে উদ্যোগী হয়ে দুই নেত্রীর বৈঠক করিয়ে দিয়েছিলেন। তার সে সময়কার ভ‚মিকা জাতিকে অনেক সংকট থেকে উদ্ধার করেছে। কিন্তু নিজে কখনো কোনো দলের সাথে সম্পৃক্ত হননি। ব্যারিস্টার রফিকের মতো এমন একজন নীতিবান মানুষ চলে গেলেন। নিভে গেলো আইনের এক নির্ভিক মশাল। বয়স হয়েছিল। এক সময় সবাইকেই চলে যেতে হয়। কিন্তু কোনো কোনো চলে যাওয়া তৈরি করে গভীর শুণ্যতা- যা কখনো পূরণ হবার নয়। ব্যারিস্টার রফিক ছিলেন তেমনই এক মানুষ যার অভাব আমরা সব সময়ই অনুভব করবো। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আজীবন অনেক ভালো কাজ করেছেন। আল্লাহ যেন তার ভালো কাজগুলো কবুল করে নেন, মাফ করে দেন, জান্নাত নসীব করেন। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]