• প্রচ্ছদ » » ভবিষ্যতের ক্লাউড ডাটাবেজের মার্কেট খাবে গুগল ক্লাউড প্লাটফর্ম!


ভবিষ্যতের ক্লাউড ডাটাবেজের মার্কেট খাবে গুগল ক্লাউড প্লাটফর্ম!

আমাদের নতুন সময় : 26/10/2020

শুভ কামাল : কয়েক মাস আগে বোধহয় বলেছিলাম, ভবিষ্যতের ক্লাউড ডাটাবেজের মার্কেট খেয়ে দেবে এডবিøএস, অর্থাৎ আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস। এখন মনে হচ্ছে ভবিষ্যতের ক্লাউড ডাটাবেজের মার্কেট আসলে খাবে গুগল ক্লাউড প্লাটফর্ম। ক্লাউড ডাটাবেজ জিনিসটা সংক্ষেপে বোঝায়। আগে ধরুণ কোম্পানিদের নিজেস্ব ডাটা সেন্টার বানাইতে হইতো, তাদের বিশাল পরিমাণ ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য, তার জন্য অনেক কম্পিউটার কিনতে হতো, রক্ষণাবেক্ষণে অনেক টাকা খরচ হইতো। এখন আসলে এসবের কিছুই লাগে না। আপনি যেখানেই থাকেন ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে আপনার কোম্পানির ডাটা গুগল বা আমাজনের ক্লাউডে একটা একাউন্ট খুলেই রাখতে পারেন। অর্থাৎ গুগল বা আমাজনের বিশাল কোনো ডাটা সেন্টারে আপনার তথ্য নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে, আপনার নিজের কোনো ডাটাসেন্টার বানানো লাগবে না, শুধু যতোটুকু ব্যবহার করবেন ততোটুকুর খরচ দেবেন, অর্থাৎ ভাড়া দিবেন। বড় বড় অনেক কোম্পানি এখন এসব ক্লাউড সার্ভিস ব্যবহারের দিকে চলে যাচ্ছে। নিজেদের আর কোনো মাথাব্যথা নেই ডাটাসেন্টার নিয়ে।
আমি অন্য ক্লাউডের চেয়ে গুগলের ক্লাউডকে এগিয়ে রাখছি। কারণ অবাক হয়ে দেখলাম, তারা অল্প খরচে মেশিন লার্নিংয়ের ট্রেইন করা মডেলেরও সুবিধা দিয়ে দিচ্ছে। মেশিন লার্নিং কোথায় লাগে বলি, ধরুণ এই যে আপনাকে আপনার টাইপের বিজ্ঞাপন দেখায়, এর জন্য ওয়েবসাইটগুলো রিকমেন্ডেশন সিস্টেম ইউজ করে। অনেক কাজ এখন কম্পিউটার নিজে নিজে করে ফেলে, ধরুণ আপনি একটা ছবি আপলোড করলে কম্পিউটার জানে আপনি কীসের ছবি আপলোড করেছেন, এতে কী কী আছে। মনে করুন বাসা ভাড়া দেওয়ার কোম্পানি যদি রিকমেন্ডেশন সিস্টেম ইউজ করে, তাহলে ছবি দেখেই কম্পিউটার অনুমাণ করে নিবে এই বাসার মাঝে কী কী সুবিধা আছে, এর ভাড়া কতো হওয়া উচিত, সে নিজে নিজেই সিদ্ধান্ত দিয়ে দিবে।
আগে একেক কোম্পানিকে একেকটা মেশিন লার্নিং মডেলকে অনেক তথ্য দিয়ে দিয়ে শিক্ষিত করতে হতো, অর্থাৎ ট্রেইন করতে হতো। এখন গুগল অল্প টাকার বিনিময়ে অলরেডি ট্রেইন করা মডেল কোম্পানিদের দিয়ে দেয়। এতে যে কী পরিমাণ ঝামেলা এবং সময় কমে সেইটা বোঝাতে পারবো না এই লেখায়। ধরুণ ছবি চিহ্নিত করার মডেল গুগলের অলরেডি ট্রেইন করা আছে, কিংবা ইমেইল পড়ে ইমেইলে কাস্টোমার কী চেয়েছে সেটা বুঝার মডেলও তাদের ট্রেইন করা আছে, সেটা টাকা দিলে আপনিও পেতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য। অথচ এই মডেল বানিয়ে যদি আপনার নিজের ট্রেইন করতে হতো, তাতে অনেক অনেক টাকা আর সময় নষ্ট হতো। এ জন্যই আমার ধারণা ক্লাউডের মার্কেটে গুগল বিশাল ফাইট দিবে সামনে। সারা পৃথিবীতে। যাই হোক, আমার মাঝে মাঝে মনে প্রশ্ন জাগে বাংলাদেশের বড় কোম্পানিদের ডাটা কে ডিল করে। বাংলাদেশ কি এসব নতুন নতুন টেকনোলজি ইমপ্লিমেন্ট করে? এতে কিন্তু অনেক খরচ বেঁচে যাবে। এসব কাজ কি আমাদের দেশের লোকেরাই করে, নাকি এসব করার জন্য বিদেশ থেকে কনসালটেন্ট ভাড়া করে আনে। মানে আমি অনলাইনে যতো বাংলাদেশি আইটির লোক দেখি সবাই দেখি হয় প্রোগ্রামার, না হয় ওয়েব ডেভেলপার। আমার জানতে ইচ্ছা হয় বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো কি ডাটাকে সিরিয়াসলি নিয়েছে? কেউ জানলে জানায়েন তো। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]