• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]নির্বাচনে বাইডেন ও ট্রাম্পের মধ্যে যেই বিজয়ী হবেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চালাবে চীন


[১]নির্বাচনে বাইডেন ও ট্রাম্পের মধ্যে যেই বিজয়ী হবেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চালাবে চীন

আমাদের নতুন সময় : 27/10/2020

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] ওয়াশিংটনে যখনই ক্ষমতার বদল হয়, ঐতিহ্য হলো সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নতুন প্রেসিডেন্টের জন্য একটি নোট রেখে যাবেন। যেটিতে অভিনন্দনের সঙ্গে থাকবে অভিজ্ঞ পরামর্শ। জর্জ ডাব্লিউ বুশ বারাক ওবামাকে লিখেছিলেন, তোমার সমালোচক বাড়বে আর বন্ধুরা হতাশ করবে। আর ওবামা ট্রাম্পকে লিখেছিলেন, ‘শীতল যুদ্ধের পর বৈশ্বিক ব্যবস্থা স্থিতিশীল আছে। একে ধরে রাখুন।’ সিএনএন। [৩] ২০২১ সালের জানুয়ারিতে যিনিই ওভাল অফিসে বসুন, তার প্রতি পরামর্শ হওয়া উচিৎ, চীনের দিকে মনোযোগ দিন। পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার বড় ধরণের বিদেশনীতিজনিত পরিবর্তন মোকাবেলা করতে হবে। ২০ বছরে প্রথমবার আফগানিস্তান বা ইরাকে কোনও যুদ্ধে লিপ্ত নেই যুক্তরাষ্ট্র এবং তারা এখন পুরোপুরি একক সুপারপাওয়ারও নয়। [৪] চীন বিশ্ব অর্থনীতির প্রথম স্থান পেতে নিয়মিতই যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যাচ্চে। এর বাইরেও তাদের রয়েছে বিশাল ও সুসজ্জিত সামরিক বাহিনীও। যা যুক্তরাষ্ট্রের মাথাব্যাথার কারণ হতে পারে। বর্তমান মেয়াদে প্রকাশ্যে চীনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। খুব একটা কাজ না হলেও একের পর এক শুল্কারোপ করেছেন, অতিমহামারীর জন্য শুধুমাত্র চীনকে দায়ি করেছেন। [৫] চীন যে কোনওভাবে এই অবস্থা থেকে বের হতে চায়। কূটনীতিকরা চাইছেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সহজ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক। সেজন্য নতুন প্রেসিডেন্ট আসার অপেক্ষায় আছেন তারা। হোয়াইট হাউজে যদি আবারও প্রবেশাধিকার পান ট্রাম্প, তবুও তাদের সে প্রচেষ্টা বন্ধ হবে না। সম্পাদনা: ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]otunshomoy.com