• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোয় আশ্রিতদের ভাসানচর পাঠাতে চায় সরকার [২]বিশ্লেষকদের মতে, বিশে^র বৃহৎ শক্তিগুলো রোহিঙ্গাদের দাবার গুটি করে পাল্টাপাল্টি খেলা শুরু করেছে


[১]ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোয় আশ্রিতদের ভাসানচর পাঠাতে চায় সরকার [২]বিশ্লেষকদের মতে, বিশে^র বৃহৎ শক্তিগুলো রোহিঙ্গাদের দাবার গুটি করে পাল্টাপাল্টি খেলা শুরু করেছে

আমাদের নতুন সময় : 29/10/2020

ম ভূঁইয়া আশিক: [৩] কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোতে আশ্রিত প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা। ভূমির তুলনায় বসবাসকৃত মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটছে। কোথাও কোথাও গোলাগুলি, খুনোখুনির ঘটনাও ঘটছে। দিন দিন অনেক ক্যাম্প অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। সরকার চাইছে, যতো দ্রুত সম্ভব ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাম্পগুলো থেকে বাছাইকৃতদের ভাসানচর পাঠাতে। [৪] সূত্রমতে, প্রত্যাবাসনকে গুরুত্ব দিলেও রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা প্রাধান্য দিয়ে পরিকল্পনা করছে সরকার। আশ্রিতদের ব্যবহার করে অশুভ গোষ্ঠী ক্যাম্পগুলোতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা করতে পারে, এমন আশঙ্কাকে গুরুত্ব দিয়ে সবকিছু ঢেলে সাজানো হচ্ছে। [৫] এ প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালিউর রহমান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো অস্থিতিশীল করার উদ্দেশে অনেক গ্যাং তৈরি করা হচ্ছে। এর কিছু নমুনা আমরা মাঝেমধ্যেই পাই। ১ লাখ রোহিঙ্গা ভাসানচরে নেয়ার চেষ্টা প্রতীকী অর্থে। ভাসানচর নিয়ে এনজিওগুলো বিরোধিতা করছে নিজেদের স্বার্থ ক্ষুণœ হওয়ার শঙ্কা থেকে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আলোচনার পাশাপাশি ভাসানচরও গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে।
[৬] নিরাপত্তা বিশ্লেষক মে. জে. (অব.) একে মোহাম্মদ আলী শিকদারের মতে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর অপরাধ ছড়িয়ে পড়েছে লোকালয়ে। এই ক্যাম্পগুলোর নিয়ন্ত্রণ অন্যদের হাতে চলে যাচ্ছে। শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
[৭] বিশে^র বৃহত শক্তিগুলো মিয়ানমার ও বাংলাদেশের কাঁধে চড়ে ভূ-রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চাইছে, এই অপচেষ্টা প্রতিহত করতেই হবে।
[৮] রাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে প্রত্যাবাসন চেষ্টা জোরালো করার পাশাপাশি ভাসানচরের মতো আরও অনেক ক্যাম্প তৈরি করা দরকার।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]