• প্রচ্ছদ » » কুমার রায় বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও বাংলা সাহিত্যে ‘ননসেন্স সাহিত্যের’ প্রবর্তক, তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্য রচনাকার ও নাট্যকার


কুমার রায় বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও বাংলা সাহিত্যে ‘ননসেন্স সাহিত্যের’ প্রবর্তক, তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্য রচনাকার ও নাট্যকার

আমাদের নতুন সময় : 30/10/2020

বিএসএমআর আলিফ : কুমার রায় বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও বাংলা সাহিত্যে ‘ননসেন্স সাহিত্যের’ প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার ও নাট্যকার। উপেন্দ্রকিশোর রায়ের জ্যেষ্ঠপুত্র সুকুমারের জন্ম ১৮৮৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। ১৯০৬ সারে পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন দুই বিষয়েই অনার্স নিয়ে বিএসসি পাস করার পর ১৯১১ সালে কলকাতা বিশ^বিদ্যালয় থেকে গুরুপ্রসন্ন ঘোষ বৃত্তি লাভ করে মুদ্রণ বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য তিনি বিলেতে যান। লন্ডনে ও ম্যাচেস্টারে অধ্যয়ন করেন তিনি ও তাঁর গবেষণার জন্য সম্মানিত হন। ১৯১৩ সালে উপেন্দ্রকিশোরের সম্পাদনায় ছোটদের সচিত্র মাসিক পত্রিকা ‘সন্দেশ’ প্রকাশিত হয়।
সুকুমার দেশে ফেরার কিছুকাল পরে ১৯১৫ সালে উপেন্দ্রকিশোরের মৃত্যু হয়। সুকুমার ইউ রায় অ্যান্ড সন্স কার্যালয়ের পরিচালনার এবং ‘সন্দেশ’ সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ‘সন্দেশ’-এর পাতাতেই তার অধিকাংশ ছোটদের লেখা-গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, ধাঁধা ইত্যাদি প্রকাশিত হয়েছে। শুধু নিজের লেখা নয়, ছবি এঁকেছেন তিনি। “হ য ব র ল’, ‘আবোল তাবোল’ জাতীয় আজগুবি চালের বেঠিক বেতাল ভুলের ভবের গদ্য ও পদ্য রচনা ছাড়াও শিল্প সাহিত্য ভাষা ধর্ম বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিষয়ক গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও সক্রিয় ছিল তাঁর লেখনী। আড়াই বছর কালাজ্বরে ভুগে ১৯২৩ সালের ৩০ অক্টোবর মাত্র ৩৬ বছর বয়সে সুকুমার রায় ১০০ গড়পার রোডের বাড়িতে পরলোকগমন করেন। মৃত্যুর কিছুদিন আগেও তিনি শুয়ে শুয়ে সন্দেশের জন্য ছবি এঁকেছেন, প্রচ্ছদ রচনা করেছেন, গল্প কবিতা লিখেছেন। আবোল তাবোল’-এর ডামি কপিাটাও রোগশয্যায় তৈরি করেছেন। কিন্তু বইটি ছেপে বেরোবার নয় দিন আগে তার মৃত্যু হয়।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]