• প্রচ্ছদ » » স্বাধীনতার পর তলাহীন ঝুড়ি ও বিদেশিদের অবজ্ঞার দেশটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা


স্বাধীনতার পর তলাহীন ঝুড়ি ও বিদেশিদের অবজ্ঞার দেশটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা

আমাদের নতুন সময় : 30/10/2020

অজয় দাশগুপ্ত : হিন্দুস্তান টাইমসে একটি লেখা বেরিয়েছে স¤প্রতি। বাংলাদেশের উন্নয়ন, করোনার কঠিন সময়েও জিডিপি গড়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবার কাহিনি। লেখক নামকরা কিংবদন্তি সাংবাদিক। তার লেখার বিষয়বস্তুর পাশাপাশি তিনিও আলোচনার মানুষ বৈকি। এখন গলাচিপা কিংবা ভেড়ামারায় একটা পাতা পড়লেও দেশ-বিদেশে জানাজানি হয়ে যায়। মুহূর্তে ভাইরাল হয় ধর্ষণ ও বলৎকারের কাহিনি। যেকোনো ঘটনাই ভিডিও হয়ে দৃশ্যমান এই যুগের মানুষ ভাবতেও পারবে না কাকে বলে ইনফরমেশন গ্যাপ। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে সঠিক ঘটনা জানার জন্য রাত জেগে অপেক্ষা করতো মানুষ। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র খুব পাওয়ারফুল কিছু ছিলো না। আকাশ বাণীর খবর ছিলো তাদের ভাষ্য। তখন তিনি এবং বিবিসি ছিলো মূল ভরসা। সেখানেই জমা ছিলো বাঙালির বিশ^াস। এই ভদ্রলোক একাত্তর, পঁচাত্তর এমনকি পরেও আমাদের দিয়েছিলেন আসল খবর। আমাদের লাভ লেইন বাসার অনতি দূরে সারারাত গোলাগুলির পরও সকালে জানা যায়নি, আসলে কী হয়েছিলো সার্কিট হাউজে? রাতে তিনিই নিশ্চিত করছিলেন যে, জেনারেল জিয়া নিহত। একাত্তরের নির্যাতন হত্যা লুট ও আগুন লাগানো নিজে দেখেছেন। যারা এখনো মূর্খের স্বর্গে বাস করে বা একাত্তরকে গÐগোলের বছর বলে কিংবা মনে করে পাকিদের হিন্দু ও আওয়ামীবিরোধী অভিযান তারা তার এই লেখাটি পড়ে দেখতে পারেন। তিনি একাত্তর দেখেছেন, তাই পাকিস্তানি বর্বরতা কেমন তা তুলে ধরতে দ্বিধা করেননি। এখানে তিনি বলছেন, বাংলাদেশ ফিনিক্স পাখির মতো ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আর সে আগুনের ছাই রেখে গিয়েছিল পাকিরা। তারা তাদের পোড়ামাটি নীতিতে ছাই করে দেয়া বাংলার অর্থনীতি আজ ফিনিক্স পাখি। সে পাকিরাই এখন বাংলাদেশ হবার স্বপ্ন দেখে। ভারতও টের পায় বাঘের গর্জন। এটা কী কী কারণে এবং কোন নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হয়েছে সেটাও লিখেছেন তিনি। স্বাধীনতার পর তলাহীন ঝুড়ি ও বিদেশিদের অবজ্ঞার দেশটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন একজন নারী। যাকে চায়ের টেবিলে, বিয়ের দাওয়াতে, ঘরোয়া আড্ডায় বা যেকোনো জায়গায় একহাত নিতে পারলে খুশি বাঙালি! ঘরে সিঁদ কাটা থেকে বাগানের ফল চুরি বা মেয়ের বিয়ের পর জামাইয়ের অত্যাচারের জন্যও তিনি দায়ী। বিশেষত বুদ্ধিজীবী আর মধ্যপন্থী সুবিধাবাদ তার বিরুদ্ধে একাট্টা। অথচ তার কারণেই এরা আজ কথিত বড়লোক। এই সত্যটাও বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বিকল্পহীনতা নিয়ে উচ্চমার্গের লেখাটি লিখেছেন ব্রিটিশ, পরবর্তীকালে ভারতে থেকে যাওয়া সাংবাদিক মার্ক টালী। স্যালুট একাত্তরের পরীক্ষিত বন্ধু। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]