[১]মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন প্রক্রিয়া জটিল হলেও চমকপ্রদ

আমাদের নতুন সময় : 01/11/2020

মারিয়া আক্তার : [২] মার্কিন নির্বাচনে নাগরিকদের সরাসরি ভোটের পর ইলেক্টোরাল কলেজ বা নির্বাচকমন্ডলী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেন। সর্বাধিক জনসংখ্যা থাকায় ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সবচেয়ে বেশি (৫৫টি) ইলেক্টোরাল রয়েছে যেখানে আলাস্কা এবং নর্থ ড্যাকোডায় রয়েছে মাত্র ৩টি ইলেক্টোরাল। এই অদ্ভূত পদ্ধতির কারণেই মার্কিন নির্বাচনকে অনেক বিশ্লেষক ‘আনপ্রেডিক্টাবল’ বলেন। [৩] কোনো প্রার্থী যদি ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ৫০.১% পপুলার ভোট পান তবে সে রাজ্যের সবগুলো ইলেক্টোরাল ভোটও তার ঝুলিতে পড়বে। আবার কোন প্রার্থী বেশি পপুলার ভোট পেলেই নির্বাচিত হবেন তা নয় যেমন ২০১৬ সালের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩০৬ টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে প্রসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন যদিও তিনি ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারী ক্লিনটন থেকে ৩০ হাজার ভোট কম পেয়েছিলেন। [৪] বিরল এই ইলেক্টোরাল পদ্ধতির কারণেই গত ৫টি নির্বাচনের মধ্যে ২টি নির্বাচনে অধিক পপুলার ভোট পেয়েও চূড়ান্ত বিজয়ী হতে পারেননি আল গোর কিংবা হিলারী ক্লিনটন। আরেকটি চমৎকার বিষয় হচ্ছে ‘সুপার টুইসডে’ মানে নির্বাচনের বছরে ফেব্রুয়ারি- মার্চ মাসের মধ্যে কোনো এক মঙ্গলবার সবচেয়ে বেশি রাজ্যে প্রার্থী নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হয়। কোনো প্রার্থী সুপার টুইসডেতে যত বেশি ভোট পাবে, চূড়ান্ত মনোনয়নে সে তত বেশি এগিয়ে থাকবেন। পরবর্তীতে সম্মেলনের মাধ্যমে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। এ প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে এবার নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও জো বাইডেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]