• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]যুক্তরাষ্ট্র এখন চীন এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটা বিরোধ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে: রাষ্ট্রদূত লি জিমিং


[১]যুক্তরাষ্ট্র এখন চীন এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটা বিরোধ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে: রাষ্ট্রদূত লি জিমিং

আমাদের নতুন সময় : 01/11/2020

রাশিদুল ইসলাম : [২] যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে তাদের চীনবিরোধী ‘ইন্দোপ্যাসিফিক স্ট্যাটেজিতে কাছে পেতে চাইছে। কারণ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে বাংলাদেশের সমর্থনকে কথিত মতে ভারত মার্কিন দৃষ্টিকোণ থেকে সুনজরে দেখে না। আবার যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত (কোয়াড) সমর্থিত ইন্দোপ্যাসিফিক কৌশলে বাংলাদেশের সমর্থনকে চীন সুনজরে দেখে না।
[৩] গ্লোবাল টাইমসকে দেয়া সাক্ষাতকারে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং আরও বলেছেন, এই বিরোধের মূলে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানসিকতা। কারণ তারা চীনের দ্রুত বর্ধনশীল উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ উত্থানকে গ্রহণ করতে রাজি নয়।
[৪] চীনের রাষ্ট্রদূত লি বলছেন, এসবের মধ্য দিয়ে এটাই ফুটে উঠেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নানা পদক্ষেপ নেয়ার কাজ অব্যাহত রেখেছে। আমি এটা গুরুত্ব দিয়ে বলতে চাই যে, চীনের এই প্রজ্ঞা এবং সামর্থ রয়েছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত তথাকথিত ‘থুসিডিডস ফাঁদে’ পা দেবে না এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কতিপয় চীন বিরোধী রাজনীতিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, তারা যেন সেকেলে হয়ে পড়া ঠান্ডা যুদ্ধের মানসিকতা এবং ‘‘জিরো সাম গেম’’ থেকে বেরিয়ে আসেন।’’
[৫] থুসিডিডস ছিলেন প্রাচীন এথেন্সের সামরিক জেনারেল। তিনি তত্ব দিয়েছিলেন যে, এথেন্সের উত্থানকে সুনজরে দেখতে পারেনি তৎকালীন শক্তিধর স্পার্টা। এথেন্সকে নিয়ে তাদের অজানা ভীতিই যুদ্ধকে অনিবার্য করেছিল। ২০১২ সালে হাভার্ডের প্রফেসর গ্রাহাম টি এলিসন এক নিবন্ধে ’’ উদীয়মান পরাশক্তির প্রতি বিদ্যমান পরাশক্তির ভীতি’’ অর্থাৎ চীনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভীতিকে বর্ননা করতে গিয়ে ’’ থুসিডিডিয় ফাঁদ’’ উল্লেখ করেছিলেন। সম্পাদনা: ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]