• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » [১]আজ কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী [২]তার কন্যা সুলতানা কামাল জানালেন, মায়ের উৎসাহে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম


[১]আজ কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী [২]তার কন্যা সুলতানা কামাল জানালেন, মায়ের উৎসাহে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম

আমাদের নতুন সময় : 20/11/2020

দেবদুলাল মুন্না:[২] কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সুফিয়া কামাল ছিলেন গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। সুলতানা কামাল বলেন, আমরা ঢাকায় প্রথম যে এলাকায় বাস করি সেটি ছিল টিকাটুলী। এরই একটি অংশ তারাবাগে ছিল আমাদের বাড়ি। ওই পাড়ায় সবার জীবনযাত্রা ছিলো প্রায় একই রকম। মূল্যবোধের কাঠামো ছিল অভিন্ন। ফলে সবার মাঝে ছিলো শক্তিশালী বন্ধন। আমাদের প্রতিবেশী ছিলেন আফসান চৌধুরী, প্রয়াত চিত্রনায়ক বুলবুল আহমেদ। আমার মা যেন ছিলেন সবার অভিভাবক।
[৩] সুলতানা কামাল জানান, মা বেগম সুফিয়া কামালের সংগ্রামী কর্মকা-ের কারণে ঢাকায় আমাদের বাড়িটি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছিলো। ফলে সেখানে অস্ত্রশস্ত্র কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের লুকিয়ে রাখা, আশ্রয় দেয়া, অর্থ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, মুক্তিযোদ্ধাদের সীমান্ত পারাপার কিংবা নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দেয়ার কাজগুলোও সেই বাড়ি থেকেই করা হচ্ছিলো। [৪] তিনি বলেন, আমি এবং আমার বোন সাইদা কামাল আগরতলা গিয়ে চিকিৎসা সেবায় যোগ দেয়ার পর থেকে আরো অনেক মেয়ে এসে যুক্ত হলো। ফলে মেয়েদের জন্য মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার আরেকটা পথ খুলে গেলো। এসবই সম্ভব হয়েছিলো আমার মায়ের অনুপ্রেরণায়। [৫] কবি সুফিয়া কামাল ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর শনিবার সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ২৮ নভেম্বর তার ইচ্ছানুযায়ী তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]