[১]মর্গে মৃত নারীদের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হতো ডোম মুন্না ভগত

আমাদের নতুন সময় : 21/11/2020

ইসমাঈল ইমু, মামুন খান: [২] শুক্রবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক সৈয়দ রেজাউল হায়দার বলেন, গ্রেপ্তার মুন্না ভগত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করত। দুই-তিন বছর ধরে সে মর্গে থাকা মৃত নারীদের সঙ্গে যৌন ক্রীয়া করে আসছিল। সম্প্রতি এরকম একটি অভিযোগ পেয়ে মুন্নার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের সঙ্গে যৌনতার কথা স্বীকার করেছে। [৩] সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, মৃত নারীদের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হওয়া পৃথিবীর জঘন্যতম একটি কাজ। সুস্থ ও স্বাভাবিক কেউ এমন জঘন্যতম কাজ করতে পারে না। গ্রেপ্তার তরুণ মুন্না বিকৃত মানসিকতার। [৪] সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোম ও মুন্নার মামা জতন কুমার লাল জানান, মুন্না গত তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করত। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। সে আরও দুই/তিন জনের সঙ্গে মর্গের পাশে একটি কক্ষেই রাতে থাকত। [৫] এদিকে, মর্গে রাখা নারীদের সঙ্গে যৌনতার অভিযোগে গ্রেপ্তার ডোম মুন্না ভক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। [৬] শুক্রবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এসআই নিউটন কুমার দত্ত আসামিকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সম্পাদনা: রায়হান রাজীব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]