• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]বাংলাদেশের ৩ কোটি ভ্যাকসিনের জন্য চূড়ান্ত চুক্তি হচ্ছে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে: নাজমুল হাসান পাপন


[১]বাংলাদেশের ৩ কোটি ভ্যাকসিনের জন্য চূড়ান্ত চুক্তি হচ্ছে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে: নাজমুল হাসান পাপন

আমাদের নতুন সময় : 24/11/2020

নাঈমুল ইসলাম খান: [২] প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী চিন্তা এবং আগাম সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের অ্যাসট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন প্রাপ্তি নিশ্চিত, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে।
[৩] পৃথিবীর কোনো এলডিসি রাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের প্রতিবেশি কোনো দেশ, ভারত ছাড়া, এখন পর্যন্ত নিজেদের জন্য ভ্যাকসিন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারেনি। বাংলাদেশ খুবই ভাগ্যবান।
[৪] পৃথিবীর কয়েকটি শীর্ষ দেশ ছাড়া তৃতীয় বিশ্বের অন্য কোনো দেশ নিজ উদ্যোগে, নিজ চাহিদায় আদৌ ২০২১ সালের মধ্যে ভ্যাকসিন পাবে কী না এই বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ উন্নত দেশের মতো প্রথম চালানের পাশাপাশি ভ্যাকসিন সরবারহ পেতে ৩ কোটি ডোজের জন্য বুকিং দিয়ে রেখেছে। ডিসেম্বরের ৫ তারিখের মধ্যেই হবে চূড়ান্ত তৃপক্ষীয় চুক্তি, (সেরাম, এঙই ও বেক্সিমকো) এবং বাংলাদেশ সামগ্রিক মূল্যের অর্ধেক পরিশোধও করে ফেলবে অগ্রিম অনতিবিলম্বে। [৫] জনাব পাপনের মতে, উন্নত মানের ভ্যাকসিন আমরা যুক্তি সঙ্গত সময়ে পেয়ে যাবো সর্বনিম্ন মূল্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বদৌলতে। কিন্তু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে ভ্যাকসিন গ্রহীতার যথাযথ ডাটাবেজ তৈরি করা এবং সুশৃঙ্খলভাবে ভ্যাকসিনেশনের ব্যবস্থাপনা নিয়ে। এ বিষয়ে কতোটা কাজ হচ্ছে তিনি নিশ্চিত নন। [৬] পৃথিবীর ৯২ টি গরীব দেশ কোভেক্স এর সহায়তায় কিছু ভ্যাকসিন পাবে কিন্তু তার পরিমাণ জনসংখ্যার ২০ শতাংশের বেশি নয়। উল্লেখ্য বাংলাদেশও কোভেক্স এর সূত্রে বেশ কিছু ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে পারবে এবং সেটা সরকারের ব্যবস্থা করা ৩ কোটি ডোজের অতিরিক্ত।
[৭] কোভেক্স এর এঅইও, ঈঊচও এবং গেইট্স্ ফাউন্ডেশন মিলিত ভাবে গরীব বিশে^র, বাংলাদেশসহ ৯২টি দেশে ২০ শতাংশ জনগোষ্ঠিকে ২০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন ২০২১ সালের মধ্যেই দিতে চায়। তারা ইতিমধ্যে ১০০ কোটি ডোজের জন্য মূল্য পরিশোধ করে বুকিংও দিয়েছে।
এই প্রতিবেদনের অনুলেখক: ফাহমিদা তিশা




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]