কোভিডেও ঘরবন্দি মানুষের অশেষ তৃপ্তি

আমাদের নতুন সময় : 27/11/2020

নাঈমুল ইসলাম খান: [১] কোভিডের সময় শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হচ্ছে পারিবারিক বন্ধনে ফিরে যাওয়া। জনাব নাজমুল হাসান পাপন বলেন, এই সময়ে ঘর বন্দি হয়ে আমরা ধীরে ধীরে পেয়েছি এক আশ্চর্য অনুভূতি। [২] জনাব পাপন বলেন, শুধু পরিবার নয় পরিবারের বাইরেও বন্ধু ও আত্মীয় স্বজনের খোঁজ খবর নেওয়ার অবসর পাওয়া গেছে কোভিডের এই ঘরবন্দি সময়ে। [৩] জনাব পাপন মনে করেন, এই অনুভূতি তার একার নয়। আরও বহুজনের। তিনি বলেন, আমরা যখন ছোট, পিতা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান-এর কড়া নির্দেশ ছিলো বিশেষ করে রাতে খাবারের টেবিলে পরিবারের সবাইকে উপস্থিত থাকতে হবে একসাথে, অনেক সময় সকালের নাস্তার টেবিলেও সবার দেখা পাওয়া যেতো। [৪] কিন্তু এক সময় আমরা মেশিনের মতো সকাল থেকে নিশিরাত পর্যন্ত কাজে ব্যস্ত হয়ে গেলাম। আমাদের সন্তানরা খাওয়া-দাওয়া করে যার যার কক্ষে। পরিবারের মিলিত হওয়ার অবসর নেই। আক্ষেপ করলেন পাপন। [৫] কোভিডের কারণে অচিরেই আমরা পরিবারের বন্ডিং ফিরে পেলাম। অনুভূতি আদান-প্রদান আবার উদ্বোধন হলো। যেকোনো সমস্যা নিয়ে আমরা এখন পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় মেতে উঠি। [৬] কোভিডের অবসরে আমি যুক্ত হয়েছি এমবিএ’র বন্ধু, সরকারি ল্যাবরেটরি স্কুলের ব্যাচম্যাট, এমনকি কেজি স্কুলের গ্রুপের সাথেও। তিনি বলেন, সে এক অকৃত্রিম আনন্দের ঐশ^র্য।
[৭] জনাব নাজমুল হাসান পাপন চিন্তিত। এক সময়ে কোভিড যখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, আবার যখন মেশিনের মতো দৌড় ঝাঁপ শুরু হবে, তখন কেমন নিষ্ঠুর ভাবে এই অনাবিল আনন্দের প্রাপ্তিগুলো আবার একে একে হারিয়ে যাবে। তিনি এখনই সেই হারানোর বেদনা আগাম অনুভব করছেন।
এই প্রতিবেদনের অনুলেখক: ফাহমিদা তিশা




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]