• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]ম্যারাডোনা জানতেন, বাংলাদেশে তার বিপুলসংখ্যক ভক্ত রয়েছে কিন্তু দেশটি কোথায় জানতেন না [২]দেশের গণমাধ্যমে তার একমাত্র সাক্ষাৎকার নেয়া সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী জানালেন এ তথ্য


[১]ম্যারাডোনা জানতেন, বাংলাদেশে তার বিপুলসংখ্যক ভক্ত রয়েছে কিন্তু দেশটি কোথায় জানতেন না [২]দেশের গণমাধ্যমে তার একমাত্র সাক্ষাৎকার নেয়া সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী জানালেন এ তথ্য

আমাদের নতুন সময় : 27/11/2020

বিশ্বজিৎ দত্ত: [৩] মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ১৯৮৬ সালের বিশ^কাপ মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। দৈনিক ইত্তেফাকের রিপোর্টার হিসাবে আমি বিশ^কাপ কাভার করতে যাই। বয়স কম, আগ্রহ অনেক বেশি। রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা ও সুযোগের সন্ধানে থাকি। খবর পেলাম, প্র্যাকটিস মাঠে ম্যারাডোনার সাক্ষাৎ পাওয়া যেতে পারে। চলে গেলাম মাঠে। সেখানে অপেক্ষা করছে দেড়শতাধিক সাংবাদিক। [৪] ম্যারাডোনার একজন ব্যাক্তিগত সহকারিকে আমার আগ্রহের কথা জানালাম। তিনি আশ^স্ত করলেন, এক ফাঁকে হয়তো সম্ভব হতে পারে। প্রায় দেড়ঘন্টা পর ম্যারাডোনা প্র্যাকটিস ম্যাচ থেকে বের হচ্ছেন। আমি সহকারীর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে এসেছি, এই কথাটি বলতে পারলাম। ম্যারাডোনা ইংরেজি জানতেন না। তাই সহকারীই ভরসা। বাংলাদেশ কোথায় এটা জানতে চাইলে তাকে বোঝাতে পারলাম এটি ভারতের পাশের একটি দেশ। উনি বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানালেন। বললেন, সময় পেলে একবার বাংলাদেশে আসবেন।
[৫] মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, আরো কয়েকবার ম্যারাডোনার খেলা দেখেছি বিশ^কাপের গ্যালারিতে বসে। ১৯৯০ সলে দক্ষিণ আফ্রিকায় ও ৯৪ সালে আমেরিকায় তার শেষ বিশ^কাপে। তার মৃত্যুতে আমি বিহ্বল, আবেগাপ্লুত হয়েছি। মনে হয়েছে তার শেষ কথা, আমি চে ও ক্যাস্ত্রোর ভক্ত। প্রতিবাদ আমার রক্তে। যারা লড়াই করে আমি সব সময় তাদের পাশে আছি। তাতে যে যা খুশী মনে করুক। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]