• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]‘শিক্ষকদের শিক্ষক’ অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের প্রয়াণ দিবস আজ [২]‘কন্যাকুমারী’ তার বিখ্যাত উপন্যাস [৩]আহমদ ছফা বলেছিলেন, দেশের প্রতি অঙ্গীকারবোধই অন্যদের চেয়ে তাকে আলাদা করেছে


[১]‘শিক্ষকদের শিক্ষক’ অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের প্রয়াণ দিবস আজ [২]‘কন্যাকুমারী’ তার বিখ্যাত উপন্যাস [৩]আহমদ ছফা বলেছিলেন, দেশের প্রতি অঙ্গীকারবোধই অন্যদের চেয়ে তাকে আলাদা করেছে

আমাদের নতুন সময় : 28/11/2020

ভূঁইয়া আশিক: [৪] আহমদ ছফা বলেন,‘…রাজ্জাক সাহেব মনে-প্রাণে একজন খাঁটি সেক্যুলার মানুষ। কিন্তু বাঙালি মুসলমানসমাজের সেক্যুলারিজমের বিকাশের প্রক্রিয়াটি সমাজের ভেতর থেকে, বাঙালি মুসলমানের সামাজিক অভিজ্ঞতার স্তর থেকে বিকশিত করে তুলতে হবে, একথা তিনি মনে করেন।’ [৫] অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক ১৯৭৩ সালের প্রথমদিকে ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে পিএইচডি প্রদান করে। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত করে। [৬] তার জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত ছিলো বিশেষত প্রাশ্চ্যতত্ত্ব, ইতিহাস ও রাজনীতিতে। তিনি ‘শিক্ষকদের শিক্ষক’ হিসেবে অভিহিত হতেন। তার অনুগামীদের মধ্যে শুধু বুদ্ধিজীবী নয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক রাজনৈতিক নেতাও ছিলেন।
[৭] ১৯৯৯ সালের ২৮ নভেম্বর জ্ঞানতাপস প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক মারা যান। একজন অসাধারণ মানুষ, শিক্ষক ও জ্ঞানতাপসের অভাববোধ থেকেই হয়তো হুমায়ুন আজাদ বলেছেন, ‘এ সাধারণত্বকেই তো অসাধারণ করে তুলেছেন নিজের জীবনে অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জঠশ, একালের জ্ঞানতাপস শুধু জ্ঞানের জন্য জীবনকে অবহেলা করে গেলেন। জ্ঞানের কাছে জীবন পরাভূত হলে জন্ম নেন একজন অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক। [৮] প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক অল্প কিছু প্রবন্ধ ছাড়া কিছুই রচনা না করলেও তার অসাধারণ জ্ঞান ও প্রজ্ঞার কারণে কিংবদন্তির খ্যাতি অর্জন করেন। সম্পাদনা: রায়হান রাজীব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]