• প্রচ্ছদ » » আমার ধারণা এবার ভাস্কর্য নিয়ে যে বিতর্ক হচ্ছে আওয়ামী লীগ সেখান থেকে সরে আসবে, যদি না আসে তবে এই বিরোধটি বাংলাদেশের রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে থাকবে


আমার ধারণা এবার ভাস্কর্য নিয়ে যে বিতর্ক হচ্ছে আওয়ামী লীগ সেখান থেকে সরে আসবে, যদি না আসে তবে এই বিরোধটি বাংলাদেশের রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে থাকবে

আমাদের নতুন সময় : 01/12/2020

মুশফিক ওয়াদুদ : ২০০১ সালে র্নিবাচনে আওয়ামী লীগের খারাপ ফলাফল এবং তারপর রাজনীতিতে কোনঠাসা হয়ে পড়ার পেছনে কওমি মাদ্রাসা কেন্দ্রিক ধর্মীয় সংগঠনগুলোর একটি ভ‚মিকা আছে। তারা সেই সময় একটি ন্যারেটিভ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, আওয়ামী লীগ ইসলাম বিরোধী। সেই সময় ইস্যুটি ছিলো ফতোয়া। আল্লামা আজিজুল হক এবং মুফতি আমিনী সেই সময়ের সেই ন্যারেটিভের প্রধান নেতা ছিলেন। কওমি মাদ্রাসা কেন্দ্রিক ধর্মীয় সংগঠনগুলোর আসলে একটি অথরিটি আছে। তারা যদি কাওকে ইসলাম বিরোধী বলেন সেইটা ধর্ম ভীরু মানুষের মধ্যে প্রভাব আছে যেমন ভাবে আওয়ামী লীগ কাওকে স্বাধীনতা বিরোধী বললে অন্য কেউ বলার চেয়ে বেশি প্রভাব রাখে। জামায়াত এই ধরণের অথরিটি রাখে না এবং তৃণমূলের কওমীদের মতো জামায়াতের ভিত্তি নেই। কিন্তু জামায়াত এবং এই কওমিরা যদি কোনো ইস্যুতে একত্র হয়ে যায়। তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব রাখার ক্ষমতা তারা রাখেন।
যেটা ফতোয়া নিয়ে বিতর্কের সময় হয়েছিলো। বায়তুল মোকাররমের সেই সময়ের খতিব ওবায়দুল হক এই দুই পক্ষকে একত্র করার ক্ষেত্রে ভ‚মিকা রেখেছিলেন। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এর চেয়ে এখন কয়েকগুণ শক্তিশালী। তারপরও গত এক দশক আওয়ামী লীগ খুব সচেতনভাবে কওমি মাদ্রাসা কেন্দ্রিক সংগঠনগুলোর সাথে বিরোধ এড়িয়ে গিয়েছে। আমার ধারণা এবার ভাস্কর্য নিয়ে যে বিবর্ত হচ্ছে আওয়ামী লীগ সেখান থেকে সরে আসবে। যদি না আসে তবে এই বিরোধটি বাংলাদেশের রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে থাকবে। কৌশলগতভাবে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল কিছুটা ভুল করছেন বলে মনে করি। চট্রগ্রামের তাদের যে সমর্থক বেস তার বড় অংশ ইসলামি মনোভাবাবপন্ন মানুষ। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]