• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]চিত্রশিল্পী, ভাস্কর ও শিল্পপতি নিতুন কুণ্ডুু মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের তথ্য ও প্রচার বিভাগে নক্শাবিদ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন


[১]চিত্রশিল্পী, ভাস্কর ও শিল্পপতি নিতুন কুণ্ডুু মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের তথ্য ও প্রচার বিভাগে নক্শাবিদ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন

আমাদের নতুন সময় : 03/12/2020

আব্দুল্লাহ মামুন : [২] চিত্রশিল্পী, নক্শাবিদ, ভাস্কর ও শিল্পপতি নিতুন কুণ্ডু ১৯৩৫ সালের ৩ ডিসেম্বর দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা জ্ঞানেন্দ্রনাথ কুন্ডু, মাতা বীণাপাণি কুণ্ডু। তিনি সিনেমার ব্যানার এঁকে নিজের আয়ে শিক্ষা অর্জন করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি ঢাকার তৎকালীন আর্ট কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৫৯ সালে চিত্রশিল্পে স্নাতক সমমানের পাঁচ বছরের কোর্স সমাপ্ত করেন। ষাটের দশকের স্বাধিকার আন্দোলনে বামপন্থি রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা ছিলো। [৩] নিতুন কুণ্ডু পরে ঢাকার মার্কিন তথ্যকেন্দ্রে যোগ দিয়ে ১৯৭১ সালের মার্চ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। তার আঁকা ‘সদাজাগ্রত বাংলার মুক্তি বাহিনী’-সহ কয়েকটি পোস্টার মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা জোগায়। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালে ‘অটবি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন । চিত্রশিল্পী হিসেবে ঢাকা (১৯৬৫, ১৯৬৬), চট্টগ্রাম (১৯৬৬) ও রাজশাহীতে (১৯৬৮) চারটি একক চিত্রপ্রদর্শনী করেছিলেন। দেশে-বিদেশেও বহু যৌথ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন তিনি। [৪] নিতুন কুণ্ডু নির্মিত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে রয়েক ‘মা ও শিশু’ (১৯৭৫),‘সাবাস বাংলাদেশ’,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯২),‘সাম্পান’,চট্টগ্রাম বিমানবন্দর (২০০১)। রাজধানীর ‘সার্ক ফোয়ারা’ও‘কদম ফোয়ারাসহ’ ঢাকার মধুমিতা সিনেমা হল, হোটেল শেরাটন ও গুলশান জনতা ব্যাংকের ম্যুরাল তার করা। একুশে পদক,জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপ,এশিয়া কাপ ক্রিকেট পুরস্কার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের নতুন কুঁড়ি পুরস্কারসহ জাতীয় পর্যায়ের বহু পুরস্কার-পদক-ট্রফি-ক্রেস্ট-মেডেলের নকশাকার তিনি। [৫] তিনি জাতীয় চিত্রকলা পুরস্কার (১৯৬৫) একুশে পদক(১৯৯৭) লাভ করেন।২০০৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]