• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]চীনা প্রকল্প মোকাবেলায় ব্রহ্মপুত্রের ভাটিতে বাঁধ বানিয়ে পানি মজুত করবে ভারত


[১]চীনা প্রকল্প মোকাবেলায় ব্রহ্মপুত্রের ভাটিতে বাঁধ বানিয়ে পানি মজুত করবে ভারত

আমাদের নতুন সময় : 03/12/2020

লিহান লিমা: [২] তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর চীনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করার চীনের ঘোষণার পর অরুণাচল প্রদেশে ব্রহ্মপুত্র নদের উপর ১০ গিগাওয়াটের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে ভারত। আল জাজিরা/ইয়ন
[৩]চীনের নিয়ন্ত্রিত তিব্বত অঞ্চলের উৎসস্থল থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে ইয়ারলাং জ্যাংবো নদী। অরুণাচলে পৌঁছে এর নাম হয়েছে সিয়াংই। আর আসামে প্রবেশ করার পরে এই সিয়াংই পরিচিত হয় ব্রহ্মপুত্র নামে এবং এরপর ফের সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
[৪]ভারতের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব টিএস মেহতা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন,‘ চীনের বাঁধ থেকে সৃষ্ট সম্ভাব্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় অরুণাচল প্রদেশে ব্রহ্মপুত্রের বুকে বাঁধ তৈরির প্রয়োজন রয়েছে। আমরা ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব জমা দিয়েছি। এটি নিয়ে সরকারের সর্বোচ্চ স্তরে আলোচনা হচ্ছে।’ মেহতা আরও জানান, পানি সংকট মোকাবেলায় বাঁধের মাধ্যমে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। এর ফলে তিব্বতে বাঁধ থেকে হঠাৎ করে পানি ছাড়লে বন্যার আশঙ্কা কাটিয়ে ওঠা যাবে।
[৫]গত সপ্তাহে এক সম্মেলনে তিব্বতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে অরুণাচল সীমান্তের কাছাকাছি ইয়ারলাং জ্যাংবো নদীর উপরে বাঁধ তৈরির ঘোষণা দেয় চীন। চীনের পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ইয়্যান ঝিয়াং জানিয়েছেন, এই প্রকল্প বছরে ৬০০ কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
[৬]২০২১-২৫ সাল পর্যন্ত ১৪তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অধীনে নতুন এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করলে ব্রহ্মপুত্রের পানি প্রবাহ কমে যাবে। গ্রীষ্মে উত্তর পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশে পানি সংকট এবং বর্ষা মৌসুমে বন্যা দেখা দিতে পারে। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]