• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]ব্রহ্মপুত্র নদে চীন ও ভারতের পাল্টাপাল্টি বাঁধ নির্মাণের ঘোষণা, বাংলাদেশকে ‘নদী কূটনীতি’ শক্তিশালী করতে বললেন বিশেষজ্ঞরা


[১]ব্রহ্মপুত্র নদে চীন ও ভারতের পাল্টাপাল্টি বাঁধ নির্মাণের ঘোষণা, বাংলাদেশকে ‘নদী কূটনীতি’ শক্তিশালী করতে বললেন বিশেষজ্ঞরা

আমাদের নতুন সময় : 04/12/2020

লিহান লিমা: [২] তিব্বতে ব্রহ্মপুত্রের বাহে চীনের ৬০ গিগাওয়াটের জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন হাইড্রোপাওয়ার বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের পাল্টা পদক্ষেপে অরুণাচলে ১০ গিগাওয়াটের বাঁধ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে ভারত। তিব্বত থেকে ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহে চীনের বাঁধ নির্মাণ বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের জন্যই উদ্বেগের। রয়টার্স/হিন্দুস্তান টাইমস/সাউথ এশিয়ান মনিটর। [৩] ভারতে চীনের দূতাবাসের মুখপাত্র জি রং বলেছেন, ‘ইয়ারলুং তাসাংবো নদীতে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের পূর্বে অন্য দেশগুলোর স্বার্থের কথা বিবেচনা করবে চীন। জলবিদুৎ প্রকল্প প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। উজান ও ভাটির দেশগুলোতে এই বাঁধের ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে।’[৪] যদি চীন-ভারত দুই দেশ নদীর পানি আটকে রেখে ও প্রবাহ বন্ধ করে একে অপরকে শাস্তি দেয়ার লক্ষ্যে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয় তবে ভাটির দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ। [৫] ভারত থেকে বাংলাদেশে বয়ে চলা ৫৪টি আন্ত-সীমান্ত নদীর মোট পানির মধ্যে ৬০ শতাংশ পানিই আসে ব্রহ্মপুত্র হয়ে। সম্ভাব্য এ ধরনের প্রকল্প বাংলাদেশের নদী বৈচিত্র ও যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদীর ওপর নির্ভর করে জীবন-যাপন করা শতশত মানুষকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।[৬] ইতোমধ্যেই ভারতের নির্মাণকৃত ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশকে চরমভাবে ভোগাচ্ছে। অক্টোবরে হঠাৎ করে পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় গোড়াই নদী এখন পলিমাটির স্তর। এই এলাকার বাংলাদেশের ১২৩টি নদী মৃতপায়। যার ফলে বার্ষিক ক্ষতি গুণতে হচ্ছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। ভারত তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তিও ঝুলিয়ে রেখেছে। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]