• প্রচ্ছদ » » পর্যবেক্ষণ : দেশের শেয়ারবাজারে চতুর্দিক থেকে ডাকাতি হয়!


পর্যবেক্ষণ : দেশের শেয়ারবাজারে চতুর্দিক থেকে ডাকাতি হয়!

আমাদের নতুন সময় : 17/01/2021

মুনশি জাকির হোসেন : পুঁজিবাদের অনিবার্য অংশ শেয়ারবাজারের ডাকাতি। শেয়ারবাজার নিয়ে অনেক মুভির মধ্যে মার্জিন কল একটি। যেখানে কোম্পানির পরিচালক, মালিক, কর্তাগণ কীভাবে সাধারণ মানুষকে একদিনেই পথের ফকির বানাতে পারে সেটিও দেখানো হয়েছে। বিশ্বের সকল শেয়ারবাজারেই ১০ থেকে ১২ বছর পর পর ধ্বস নামে। বাংলাদেশও এর বাইরে না। ১৯৯৬ সালের শেয়ার বাজার ধ্বসের পর ঠিক ১২ বছর পর ২০০৯ সালে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের লুটপাটের আয়োজন শুরু হয়। সেটি ২০১১/১২ সালে চ‚ড়ান্ত পরিণতি ডেকে আনে। সেই হিসেবে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে আবারও ভয়াবহ ধ্বস নামবে! বর্তমানে সেই ধ্বসের জন্য যাত্রা শুরু করেছে মাত্র। গত ৬ মাসের শেয়ারবাজারের চরিত্র সেটিই নির্দেশ করছে। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের ডাকাতি চতুর্দিক থেকে হয়। শুরুতে একটি কোম্পানি ঘুষ দিয়ে, মিথ্যা, জাল, ভুয়া হিসাবের মাধ্যমে কোম্পানিকে লাভজনক দেখিয়ে শেয়ারবাজার থেকে আইপিও’র মাধ্যমে কয়েকশত কোটি টাকা তুলে নেয়। এর ২-৩ বছর পরই রাইট শেয়ার ইস্যুর নামে আরোও কয়েকশ কোটি টাকা তুলে নেয়, এরপর মিথ্যা ঘোষণা, কাগজ-কলমে মিথ্যা লভ্যাংশ দেখিয়ে শেয়ারের দাম বাড়াতে থাকে। এরপর পরিচালক, মালিক পক্ষ নিজেদের শেয়ার বিক্রি করে আরও কয়েকশ কোটি টাকা তুলে নেয়। এভাবে ১টি কোম্পানি এক হাজার কোটি টাকার বেশি ডাকাতি করে। এর পর সেই কোম্পানির আসল চেহারা বের হতে থাকে, কোম্পানি লোকসানে চলে যায়, এমনকি বন্ধ হয়ে যায়। জনগণের হাতে যে শেয়ার থাকে সেটির মূল্য শূন্য হয়ে যায়। এটিই বর্তমান বাংলাদেশ শেয়ারবাজারের প্রধান চরিত্র। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]