• প্রচ্ছদ » » সহিংসতার মূলে লোভ, দুর্নীতি, বর্ণবাদ এবং পিতৃতন্ত্র বৈষম্য


সহিংসতার মূলে লোভ, দুর্নীতি, বর্ণবাদ এবং পিতৃতন্ত্র বৈষম্য

আমাদের নতুন সময় : 27/01/2021

খান আসাদ : বৈষম্য, সহিংসতা ও অমর্যাদার পুঁজিবাদী ব্যবস্থা টিকে আছে ১ শতাংশের লোকের শ্রেণি স্বার্থে। এই ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার জন্য আছে সহিংসতার মনোপলি নিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র। আছে মিডিয়া ও শিক্ষাব্যবস্থা যারা পুঁজিবাদের পক্ষে মগজ ধোলাই করে। আছে সামাজিক সংগঠন যাদের দিয়ে গুন্ডামি করানো হয়। প্রতিদিন হত্যা করা হচ্ছে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ না খাইয়ে। যদিও বিজ্ঞানের কল্যাণে পৃথিবীতে জনসংখ্যার চেয়ে খাবার উৎপাদন অনেক বেশি হচ্ছে।
ভাবুন একবার, বিজ্ঞানের আবিষ্কার যদি মানুষের কল্যাণে কাজে লাগতো, ব্যবহার না হতো যুদ্ধ ও মুনাফার কাজে, পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের জীবন কী রকম সমৃদ্ধ ও শান্তির হতে পারতো। প্রকৃতির পরিবেশ কতোটা সুস্থ থাকতে পারতো। এই যে ১ শতাংশ তাদের একটি সংগঠন আছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম। তারা সাধারণত মিলিত হয়, ডাভোসে, সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি অবকাশযাপন কেন্দ্রে। এই বছর তারা অনলাইনে মিলিত হবে, এই সপ্তাহে। কিন্তু পরিকল্পনা আছে, আগামী মে মাসে, সিঙ্গাপুরে মুখোমুখি বসার। আপনিও কি বৈষম্য, সহিংসতা ও অমর্যাদা থেকে মুক্তি চান? এটি কোনো ব্যাক্তি সমালোচনা বা কোনো বিশেষ রেজিম চেঞ্জ করে হবে না। সংবিধানের একটি ধারা সংস্কার বা শ্রমজীবী মানুষকে শীতের কম্বল বিতরণের মতো দান খয়রাত করেও হবে না। গোটা বৈষম্য ও শোষণমূলক ব্যবস্থাটির রূপান্তর দরকার। বৈষম্য ও সহিংসতার এই শোষণমূলক ব্যবস্থাটি বদলের জন্য দুনিয়াব্যাপী আন্দোলন হচ্ছে। এর একটি ধারার নাম, ‘এবোলিশ বিলিয়নিয়ার।’ আরও অনেক ধারা আছে। বৈষম্য ও সহিংস ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এবং সাম্য, শান্তি ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে ফেসবুকে অন্তত একটি পোস্ট দিন, এই সপ্তাহেই। আপনাকে আগাম ধন্যবাদ।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]