• প্রচ্ছদ » Uncategorized » আমাদের ঢাবির ফুকোপÐিতরা যেহেতু ফরাসি ভাষাতেই লেখাপড়া করেছেন সুতরাং তারা কী করে বুঝবেন যে নিবন্ধটিতে ইংরেজি ভাষার ফুকো থেকে চুরি করা হয়েছে?


আমাদের ঢাবির ফুকোপÐিতরা যেহেতু ফরাসি ভাষাতেই লেখাপড়া করেছেন সুতরাং তারা কী করে বুঝবেন যে নিবন্ধটিতে ইংরেজি ভাষার ফুকো থেকে চুরি করা হয়েছে?

আমাদের নতুন সময় : 31/01/2021

আর রাজী : [১] ফরাসি ভাষায় বইটার নাম ‘ঋড়ষরব বঃ উল্কৎধরংড়হ: ঐরংঃড়রৎব ফব ষধ ভড়ষরব প্প ষ’ব্জমব পষধংংরয়ঁব’ এই শিরোনামটির বাংলা করলে দাঁড়ায় অনেকটা এই রকম : ‘উন্মাদনা ও যুক্তিহীনতা: ক্লাসিক্যাল যুগে পাগলামির ইতিহাস’। কিন্তু বইটির ইংরেজি নাম: ‘গধফহবংং ধহফ ঈরারষরুধঃরড়হ: অ ঐরংঃড়ৎু ড়ভ ওহংধহরঃু রহ ঃযব অমব ড়ভ জবধংড়হ’ ঋড়ষরব অর্থ ম্যাডনেস করা যেতে পারে, কিন্তু শিরোনামে ‘সিভিলাইজেশন’ কোথা থেকে এলো? উবৎধরংড়হ অর্থ যুক্তিহীনতা, অবাস্তব বা পাগলামো হতে পারে কিন্তু কিছুতেই সিভিলাইজেশন বলতে আমরা এখন যা বুঝি তা নয়। আর ‘ক্লাসিক্যাল এজ’ আর ‘এজ অব রিজন’ কি এক? না কি ফুকো ‘নিও’ কথাটা যেহেতু লেখেননি তাই সে পথেই হাঁটেননি তার ইংরেজি অনুবাদক। [২] ‘খবং সড়ঃং বঃ ষবং পযড়ংবং: টহব ধৎপযল্কড়ষড়মরব ফবং ংপরবহপবং যঁসধরহবং’- এই বইটির বাংলা হয় অনেকটা এই রকম : ‘শব্দ ও জিনিস: মানব-বিজ্ঞানের প্রতœবিদ্যা’ কিন্তু ইংরেজি হয়েছে- ঞযব ঙৎফবৎ ড়ভ ঞযরহমং: অহ অৎপযধবড়ষড়মু ড়ভ ঃযব ঐঁসধহ ঝপরহবহপব’ ঞযব ড়ৎফবৎ ড়ভ ঃ যরহমং – এর ফরাসি হতে পারে খ’ড়ৎফৎব ফবং পযড়ংবং বাংলায় জিনিসক্রম বা জিনিসের ক্রম এরকম একটা কিছু। [৩] ঝঁৎাবরষষবৎ বঃ ঢ়ঁহরৎ : ঘধরংংধহপব ফব ষধ ঢ়ৎরংড়হ ডিসিপ্লিনকে ফরাসিরা ডিসিপ্লিন-ই বলে কিন্তু ঝঁৎাবরষষবৎ বলতে মনিটর করার মতো কিছু বোঝায়। ঝঁৎাবরষষবৎ এর বাংলা পরিবীক্ষণ-নিরীক্ষণ ইত্যাদি হতে পারে। বাংলা ভাষা দিয়ে যদি ইংরেজি ভাষা অনুধাবন করি তবে বইটির নামে আর যাহোক ‘ডিসিপ্লিন’ কথাটা আসতে পারে না। ফরাসি ঝঁৎাবরষষবৎ- এর সমার্থক কি ডিসিপ্লিন? কিন্তু ইংরেজিতে বইটির নাম হয়েছে : ‘উরংপরঢ়ষরহব ধহফ চঁহরংয : ঞযব ইরৎঃয ড়ভ ঃযব চৎরংড়হ. তিন কথার পরের কথা হচ্ছে, বাংলার পাশাপাশি ফরাসি ভাষায় যার সামান্য জ্ঞান আছে তিনিই বুঝবেন, ফরাসি থেকে তর্জমা করা এই ইংরেজি নামগুলো আসল থেকে কতো বেশি দূরে সরে গেছে। ফরাসি বইয়ের নামের সঙ্গে ইংরেজি নামেই যেখানে এমন পর্বত প্রমাণ প্রভেদ সেখানে ভেতরের ভাব ও ভাষার দূরত্ব কি হতে পারে কল্পনা করুন। কথা হচ্ছে, আমাদের ঢাবির ফুকোপÐিতরা যেহেতু ফরাসি ভাষাতেই লেখাপড়া করেছেন সুতরাং তারা কী করে বুঝবেন যে নিবন্ধটিতে ইংরেজি ভাষার ফুকো থেকে চুরি করা হয়েছে? নাহলে এই পাঁচ পাঁচটি পৃষ্ঠা আসলে ফুকো থেকে চুরি হলে তারা রিভিউ করার সময় কী আর ধরতে পারতেন না। ইংরেজি আর ফরাসি ভাষার ফুকোতে যদি এই ব্যবধান না থাকতো তাহলে প্রাথমিক বাছাই, অন্তত দুই জন রিভিউয়ার, সম্পাদক বা সম্পাদকীয় দফতরের সবার চোখ ফশকে এই পাঁচ পৃষ্ঠা প্রেসে চলে যেতে পারতো নাকি? লজ্জা কি কেবল লেখকের, এই যে এত্তোগুলো চোখ সবাই যে ফাঁকিতে পড়লো সে লজ্জা কি কম? কিন্তু আসল দায়ী যে ফরাসি ফুকোর ইংরেজি অনুবাদকরা, তা কী আর আমাদের লোকজন বুঝতে চাবে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]