• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » [১]‘বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় ক্ষুদ্রায়তন চা চাষ সম্প্রসারণ’ প্রকল্প গ্রহণ, কর্মসংস্থান হবে প্রায় দুই হাজার লোকের [২]বছরে সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ১৬.৩৭ মিলিয়ন কেজি


[১]‘বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় ক্ষুদ্রায়তন চা চাষ সম্প্রসারণ’ প্রকল্প গ্রহণ, কর্মসংস্থান হবে প্রায় দুই হাজার লোকের [২]বছরে সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ১৬.৩৭ মিলিয়ন কেজি

আমাদের নতুন সময় : 09/02/2021

খোরশেদ আলম: [৩] জানা গেছে, সিলেট, চট্টগ্রাম এবং পঞ্চগড়ের পর চা চাষাবাদের ৪র্থতম অঞ্চল হিসেবে আওতাভুক্ত হচ্ছে গারো পাহাড়। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ চা বোর্ডের সার্ভে দল সরেজমিনে চা চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে ২০০৪ সালের ১০ জানুয়ারি একটি প্রতিবেদন তৈরি করে।
[৪] প্রতিবেদনে চা চাষাবাদের উপযোগী ভূমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়- ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় ১ হাজার ১২০ একর, ফুলবাড়িয়া উপজেলায় ৫শ একর, ভালুকা উপজেলায় ৪শ একর এবং মুক্তাগাছা উপজেলায় ৩শ একর, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় ৬শ একর, ঘাটাইল উপজেলায় ৫শ একর এবং সখিপুর উপজেলায় ৫শ একর, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় ১ হাজার ১৫০ একর, ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১ হাজার ৮৫৫ একর এবং নালিতাবাড়ী উপজেলায় ২ হাজার ৫শ একর, নেত্রকোণার সুসং দূর্গাপুর উপজেলায় ১ হাজার ৭৭০ একর এবং কলমান্দা উপজেলায় ১ হাজার ৫০ একর ও জামালপুরের বকশিগঞ্জে ৬শ একর।
[৫] চা গবেষণা ইসস্টিটিউটের ঊর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শামীম আল মামুন জানান, প্রকল্পের অর্থায়নে বিনামূল্যে চা গাছের চারা বিতরণ রোপণ, পরিচর্যা, পাতা চয়ন, পোকা-মাকড় ও রোগ-বালাই দমন এবং কাচা পাতা দিয়ে হাতে চা তৈরি ইত্যাদি বিষয়ে সার্বক্ষণিক প্রশিক্ষণ ও তদারকি করা হবে। চা বোর্ডের একটি অফিস থাকবে।
[৬] ‘গারো হিল্স টি’ নামে বেসরকারি কোম্পানির উদ্যোগে ২০১৮ সালে শেরপুরে ৫ একর জমিতে পরীক্ষামূলক চা চাষ করে সফলতা পাওয়া গেছে। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান, শাহানুজ্জামান টিটু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]