• প্রচ্ছদ » » বাঙালি লেখক ও সমাজসেবক কালিপ্রসন্ন সিংহের জন্মদিন আজ, ঊনবিংশ শতকের বাংলা-সাহিত্য আন্দোলনে অন্যতম একজন পৃষ্ঠপোষক ছিলেন


বাঙালি লেখক ও সমাজসেবক কালিপ্রসন্ন সিংহের জন্মদিন আজ, ঊনবিংশ শতকের বাংলা-সাহিত্য আন্দোলনে অন্যতম একজন পৃষ্ঠপোষক ছিলেন

আমাদের নতুন সময় : 23/02/2021

আব্দুল্লাহ মামুন : কালিপ্রসন্ন উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ‘সিংহ’ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন নন্দলাল সিংহ। তার পিতামহ জয়কৃষ্ণ সিংহ ছিলেন হিন্দু কলেজের একজন পরিচালক। কালীপ্রসন্নের মাত্র ছয় বছর বয়সে তার পিতা মারা যান। বাবু হরচন্দ্র ঘোষ, যিনি নি¤œ আদালতের বিচারক ছিলেন, পিতার মৃত্যুর পর তার অভিভাবক হিসাবে নিযুক্ত হন। কালীপ্রসন্ন ১৮৫৪ সালে বাগবাজারের লোকনাথ বসুর কন্যার সঙ্গে বিবাহ করেন, কিন্তু কয়েক বছর পর তার স্ত্রী মারা যান। কিছুদিন পরে, কালীপ্রসন্ন রাজা প্রসন্ননারায়ণ দেবের পৌত্রী এবং চন্দ্রনাথ বসুর কন্যা শরৎকুমারী দেবীকে বিবাহ করেন। বাংলা সাহিত্যে তার দুই অমর অবদানসমূহের জন্য চিরস্মরীয় হয়ে আছেন। সেগুলো হলো, বৃহত্তম মহাকাব্য মহাভারতের বাংলা অনুবাদ এবং তার বই হুতোম প্যাঁচার নক্শা। তিনি ঊনবিংশ শতকের একজন বাংলা-সাহিত্য আন্দোলনে অন্যতম একজন পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। মাত্র উনত্রিশ বছরের জীবনে তিনি সাহিত্য ও সমাজের উন্নয়নের জন্য অসংখ্য কাজ করেছেন। তিনি বিধবা বিবাহের একজন সমর্থক ছিলেন। বহু বিধবা দুখিনীর জীবন পরিবর্তন এর জন্য তিনি অকাতরে দান করেছেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রিয় পাত্র ছিলেন তিনি। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক অনুপ্রাণিত হয়ে বিধবা-পুনর্বিবাহ প্রবর্তনের লক্ষ্যে বেঙ্গল কাউন্সিলে আবেদনপত্র পেশ করার জন্য কালীপ্রসন্ন তিন হাজারেরও বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। মাত্র ২৯ বছর বয়সে ২৪ জুলাই ১৮৭০ তিনি মারা যান। সূত্র- উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]