• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]মধ্যরাতে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন শুরু হয় ১৯৭২ সালে [২]পশ্চিমাকে অনুকরণ ও পুঁজিবাদের আগ্রাসন, বললেন ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী [৩]আবুল কাশেম ফজলুল হকের মতে, পাকিস্তান আমলের সেই চেতনাবোধ আর নেই [৪]উচ্চশিক্ষায় বাংলা বইয়ের প্রচলন না থাকায় দিনটি উদযাপনেরই প্রাসঙ্গিকতা নেই, বললেন ড. দীলারা চৌধুরী


[১]মধ্যরাতে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন শুরু হয় ১৯৭২ সালে [২]পশ্চিমাকে অনুকরণ ও পুঁজিবাদের আগ্রাসন, বললেন ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী [৩]আবুল কাশেম ফজলুল হকের মতে, পাকিস্তান আমলের সেই চেতনাবোধ আর নেই [৪]উচ্চশিক্ষায় বাংলা বইয়ের প্রচলন না থাকায় দিনটি উদযাপনেরই প্রাসঙ্গিকতা নেই, বললেন ড. দীলারা চৌধুরী

আমাদের নতুন সময় : 24/02/2021

শরীফ শাওন: [৫] শিক্ষাবিদ ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, প্রভাতফেরি শুরু হয় ১৯৭০ সালে। এর মাধ্যমেই আমরা একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন শুরু করতাম।
[৬] তিনি বলেন, পহেলা ফাগুন ২১ ফেব্রুয়ারির চেয়েও বেশি প্রবল হয়েছে। এগুলো সবই পুঁজিবাদের দৌরাত্ম। তার কাছে আমরা আত্মসমর্পন করেছি। এটাকে ফিরিয়ে আনতে যে সামাজিক বিপ্লব প্রয়োজন, সেটি হয়নি।
[৭] গবেষক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, পাকিস্তান আমলে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষায় পরিণত করার আকাঙ্খা ছিলো। এসবের মাঝে সমকালীন সমস্যা, রাষ্ট্রভাষার দাবি, বাঙালি জাতীয়তাবাদ চেতনা প্রকাশ পেতো। একুশের যে চেতনা, উদ্যম নিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হতো এখন তা হচ্ছে না।
[৮] তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১২ টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে ফুল প্রদান করেন। সে সময় থেকেই প্রচলনটি শুরু হয়।
[৯] শিক্ষাবিদ ড. দীলারা চৌধুরী বলেন, ভালো বই প্রকাশ পেলেই জাপান ও চীনে শিক্ষার অগ্রগতির স্বার্থে তা নিজ ভাষায় অনুবাদ চর্চা হয়। আমি পলিটিক্যাল সাইন্স পড়াই, কয়টা রেফারেন্স বাংলা বই পেয়েছি যেগুলো আমার শিক্ষার্থীরা পড়তে পারে? বাংলা ভাষা নিয়ে আমরা কি করেছি? কয়টা বই বের করেছি বাংলায়? সম্পাদনা: রায়হান রাজীব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]