• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]মিয়ানমারের অভ্যুত্থান নিয়ে ঢাকার আচরণকে রহস্যময় বলছে দ্য ডিপ্লোম্যাট [২]তবে কূটনৈতিক শিষ্টাচার আর ইতিবাচক পথেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে চায় ঢাকা


[১]মিয়ানমারের অভ্যুত্থান নিয়ে ঢাকার আচরণকে রহস্যময় বলছে দ্য ডিপ্লোম্যাট [২]তবে কূটনৈতিক শিষ্টাচার আর ইতিবাচক পথেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে চায় ঢাকা

আমাদের নতুন সময় : 24/02/2021

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] মিয়ানমারে ১ ফেব্রুয়ারির রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের ব্যাপারে একটি অবস্থান নেয়ার যথেষ্ট কারণ ছিলো ঢাকার। ৩ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন নিজেই এই কথা বলেছিলেন। এটাই ছিলো মিয়ানমারের ব্যাপারে সরকারের শেষ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি। দ্য ডিপ্লোম্যাট বলছে, মিয়ানমারের সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের ভাগ্যও মিলে আছে। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মন্তব্য সবচেয়ে মূল্যবান।
[৪] অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ সরকার মূলত দুটো বিষয় নিয়ে চিন্তায় ছিলো। একটি আমদানির অপেক্ষায় থাকা ১ লাখ মেট্রিক টন চাল আর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, পরিস্থিতি যাই হোক না কেনো, চাল আমদানি বন্ধ হবে না। [৫] ডিপ্লোম্যাট বলছে, এরই মধ্যে বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা সঙ্কট ডিপ ফ্রিজে চলে গেছে। ৫ ফেব্রুয়ারি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে দুই দেশের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। একজন বাংলাদেশি কূটনীতিক জানিয়েছেন, সামরিক সরকার পুরোদমে কাজ শুরু করলেই, এই বৈঠকের নতুন তারিখ ঠিক করা যাবে। তবে পরিস্থিতি আরও বেশি জটিল। নয়াদিল্লি আর বেইজিং, উভয়েই নেপিদোর মন যুগিয়ে চলার চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শিষ্টাচার রক্ষার নীতি কতটা কার্যকর হবে, সে প্রশ্ন উঠছেই, বলছে ডিপ্লোম্যাট। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]