• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]এলডিসি থেকে বের হওয়ায় আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়বে [২]তবে রপ্তানি বাজারে স্বল্পমেয়াদে বাধা তৈরি হতে পারে


[১]এলডিসি থেকে বের হওয়ায় আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়বে [২]তবে রপ্তানি বাজারে স্বল্পমেয়াদে বাধা তৈরি হতে পারে

আমাদের নতুন সময় : 28/02/2021

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] করোনাভাইরাস পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাংলাদেশের অনুরোধে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের গ্রাজুয়েশন দুই বছর পিছিয়ে ২০২৬ সাল নির্ধারণ করেছে জাতিসংঘ। এ সময়ের মধ্যে স্বল্পোন্নত বা এলডিসি দেশের প্রাপ্ত সব সুবিধাই পাবে বাংলাদেশ। তবে ২৬ সালের পর তা আর থাকবে না। তবে এক নতুন মর্যাদায় বাংলাদেশকে মূল্যায়ন করবে পৃথিবী।
[৪] অর্থনৈতিক সক্ষমতার কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বেশি সুদে অনেক বেশি ঋণ নেওয়ার সক্ষমতা বাড়বে। বেশি ঋণ নিতে পারলে অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও বেশি খরচ করা সম্ভব হবে।
[৫] অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা মোকাবেলায় যথেষ্ট সক্ষমতা থাকায় বিদেশি বিনিয়োগও আকৃষ্ট হবে। ২০৪০ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হতে চায় ঢাকা। তবে বাংলাদেশ ইতিহাসের একমাত্র দেশ, যারা ৩ সূচকেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে।
[৬] এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতায় শুল্কমুক্ত বাণিজ্যসুবিধা পায়। আঞ্চলিক বা দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতেও এই ধরনের শুল্কসুবিধা পেয়ে থাকে। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এসব সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। যদিও ইউরোপীয় ইউনিয়নে জিএসপির আওতায় এই শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত।
[৭] এই বাড়তি শুল্কের কারণে রপ্তানি বছরে ৫৩৭ কোটি ডলার বা সাড়ে ৪৫ হাজার কোটি টাকা কমতে পারে।
[৮] এলডিসি থেকে বের হলে জাতিসংঘে চাঁদার পরিমাণ বেড়ে যাবে। বাংলাদেশকে আগের চেয়ে বেশি খরচ করতে হবে। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]