ফিনিসিয়দের ধর্ম (Phoenician Religion)

আমাদের নতুন সময় : 01/03/2021

শানজিদ অর্ণব : প্রাচীনকালে ভ‚মধ্যসাগরের পূর্ব তীরে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অবস্থিত এক ফালি এলাকার নাম ছিল ফিনিসিয়া। ফিনিসিয়ার পূর্বদিকে ছিল লেবাননের পার্বত্যাঞ্চল। প্রাচীন দুনিয়ার সবচেয়ে ভালো সমুদ্র অভিযাত্রী ছিল ফিনিসীয়রা। বর্ণমালা তৈরিতে তাদের একটি বিরাট অবদান ছিল। খ্রিস্টের জন্মের প্রায় হাজার বছর আগে তারা লিখতে শিখেছিল। ফিনিসীয় বর্ণমালায় ছিল ২২টি হরফ। এ বর্ণমালার সবই ছিল ব্যঞ্জণবর্ণ। ইংরেজি বর্ণমালার আদি উৎস এই ফিনিসীয় বর্ণমালা।
ফিনিসিয়দের ধর্ম সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য খুব বেশি নেই্ ধারণা করা হয়, কেনান অঞ্চলের প্রাথমিক ধর্মবিশ্বাসেরই ধারাবাহিকতা প্রবাহিত হয়েছিল ফিনিসীয় ধর্মে। তবে অতি অবশ্যই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমূলক কিছু বিষয় ছিল। ফিনিসীয়দের নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় নীতি বা দেবক‚ল ছিল না। শহরের প্রধান দেবতা হতেন সাধারণত উবৃরতার দেবতা। ক্যানাইটের মানুষ হওয়ায় তাদের ধর্মচর্চার কেন্দ্রে ছিলেন উর্বরতার দেবতা ‘বাল’। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সমকামিতা, বেশ্যাবৃত্তি ও শিশু উৎসর্গের প্রথার প্রচলন ছিল। ফিনিসীয় নগর বালবেক (বৈরুত থেকে ৪০ মাইল উত্তর-পূর্বে অবস্থিত) ছিল সে সময়ের বহু ঈশ্বরবাদী ধর্মচর্চার একটি অন্যতম কেন্দ্র। বিভিন্ন দেব- দেবীর উদ্দেশে নির্মিত মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ সেখানে এখনও অবশিষ্ট আছে। সে সময়ের কেনানের হিব্রæভাষীদের ধর্মের সঙ্গে সাদৃশ্য ছিল ফিনিসিয় ধর্মের। জেরুসালেমের সে সময়কার মন্দির এবং ফিনিসীয় নগর কার্থেজের সমাধির মধ্যে সাদৃশ্য পাওয়া যায়। ‘ধর্মকোষ- পৃথিবীর ধর্মসমূহের ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থ থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]