• প্রচ্ছদ » » বাংলাদেশের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি, কেস স্টাডি


বাংলাদেশের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি, কেস স্টাডি

আমাদের নতুন সময় : 01/03/2021

মুশফিক ওয়াদুদ : বাংলাদেশে সংবাদপত্র শিল্পে নিউএজ একটি ইন্টারেস্টিং কেস স্টাডি। নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবির সম্ভবত বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সম্পাদক, তুলনামূলক যোগ্য সাংবাদিকরা নিউএজে কাজ করেন, খুবই ভালো একজন মালিক এবং কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার পরও নিউএজ সফল হতে পেরেছে, এটা বলা যায় না।
দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পঠিত ইংরেজি দৈনিক হওয়ার সব ধরনের সম্ভাবনাই ছিলো নিউএজের। কিন্তু ২০২০ সালে তথ্যমন্ত্রী সংসদে পত্রিকার সার্কুলেশনের যে হিসাব দিয়েছেন সেখানে নিউএজ প্রথম ১০টি ইংরেজি দৈনিকের মধ্যে নেই।* (ডেইলি স্টার (৪৪ হাজার ৮১৪), ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস (৪১ হাজারটি), ঢাকা ট্রিবিউন (৪০ হাজার ৬০০), ইনডিপেনডেন্ট, অবজারভার, বাংলাদেশ পোস্ট (তিনটিরই ৪০ হাজার ৫৫০), এশিয়ান এজ ও ডেইলি ট্রাইব্যুনাল (৪০ হাজার ৫০০) এবং বাংলাদেশ টুডে (৪০ হাজার ১০) নিউএজ সরকারের গুড বুকে না থাকার কারণে এই তথ্য নিয়ে সন্দেহ থাকলেও সার্কুলেশনের অবস্থা ভালো না, এটা ধারণা করি। কেন বলছিÑ নিউএজের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিক হওয়ার সম্ভাবনা ছিল? অস্বাভাবিক ভালো একজন মালিক নিউএজের। সম্পাদকীয় নীতিতে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেন না। মালিক সংবাদপত্র দিয়ে তাঁর ব্যবসায় অন্যায্য সুবিধা আদায় করতে চান না। সেভাবে নিউএজ কোনোদিন ভালো ব্যবসা করতে না পারলেও সাংবাদিকদের কোনো দিন বেতন আটকায়নি। দেশের প্রতিভাবান এবং জনপ্রিয় সাংবাদিকদের/ফটো সাংবাদিকদের অনেকেই কোনো না কোনো সময় নিউএজে কাজ করতেন। এখনো যা আছে, বেশ ভালো একটি টিম।
এন্টি ইন্ডিয়া এবং এন্টি স্টাবলিশমেন্ট পলিসি হওয়ার কারণে দেশের পাঠকের বেশ বড় একটি অংশের কাছে পত্রিকাটি জনপ্রিয় হওয়ার কথা। বিএনপি, বামপন্থী এবং ইসলামিস্টদের নিউএজ ছাড়া দেশের অন্য কোনো পত্রিকা পড়ার কথা নয়। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো- সম্পাদক জনপ্রিয় কিন্তু পত্রিকা জনপ্রিয় না- এইটা একটা ইন্টারেস্টিং কেস স্টাডি। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]